পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ছাতনা থানা। পরীক্ষার্থীকে অবিলম্বে চিকিৎসার জন্য ছাতনা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল-এ নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করলেও সমাপ্তির একটাই দাবি ছিল—সে পরীক্ষা দেবে। তার চোখেমুখে ছিল যন্ত্রণার ছাপ, তবু মনোবল ছিল অটুট। এই দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির কথায় দ্রুত জানানো হয় মধ্য শিক্ষা পর্ষদ ও পরীক্ষাকেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে। পর্ষদের নির্দেশ মেনে হাসপাতালেই পরীক্ষার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। হাসপাতালের বেডেই বসে ইতিহাসের উত্তরপত্রে কলম ধরতে দেখা যায় সমাপ্তিকে। স্যালাইনের নল লাগানো অবস্থায়, যন্ত্রণাকে সঙ্গী করেও সে একের পর এক প্রশ্নের উত্তর লিখে যায়।
advertisement
সেই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত পুলিশকর্মী, চিকিৎসক ও শিক্ষকরা। শুশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তরাও সমাপ্তির সাহসিকতার প্রশংসা করেন। এই ঘটনায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন পরীক্ষার্থীর পরিবার। শিক্ষকরাও জানিয়েছেন, সমাপ্তির এই লড়াই কেবল একটি পরীক্ষায় বসার গল্প নয়, বরং জীবনের প্রতিকূলতার সামনে মাথা না ঝোঁকানোর এক শক্ত বার্তা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পুলিশের মানবিক সহযোগিতা ও প্রশাসনের দ্রুত সিদ্ধান্তে সম্ভব হয়েছে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। অসুস্থ শরীর নিয়েও যে অদম্য ইচ্ছাশক্তি মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, সমাপ্তি মহন্ত তা আবারও প্রমাণ করল। তার এই সাহসিকতা বহু পরীক্ষার্থীর কাছেই হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার প্রতীক।





