বাঁকুড়া জেলার এই ১১২ ফুট উঁচু পাহাড়ে রয়েছে একাধিক প্রাচীন গুহা, শিব ও কালী মন্দির। গুহার ভেতরে পাথরের গায়ে খোদাই করা মা দুর্গা ও মা কালীর প্রতিমা আজও স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই শৈলশিল্প বহু প্রাচীন এবং পাহাড়টিকে ঘিরে রয়েছে নানা অজানা ইতিহাস, যা পর্যটকদের আরও বেশি করে টেনে আনছে।
advertisement
আরও পড়ুন : রেশমি জমিনে সুতো-জরিতে গাঁথা পৌরাণিক আখ্যান, অরিজিতের শহর বিখ্যাত তার সাবেক বালুচরী শাড়ির জন্যেও
মশক পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে একাধিক লোককথাও। গুহার ভিতর অন্ধকার হওয়ায় পর্যাপ্ত আলো ছাড়া প্রবেশ করা ঝুঁকিপূর্ণ, তবে সেই ঝুঁকিই অ্যাডভেঞ্চারের রোমাঞ্চ বাড়িয়ে দিচ্ছে। যাতায়াতের দিক থেকে মশক পাহাড় পৌঁছনো তুলনামূলক সহজ। বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ৪৮.৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই পাহাড়ে পৌঁছতে হলে ইন্দপুর বাংলা হয়ে খাতরা রুট ধরেই যেতে হয়। পাহাড় ঘুরে বিকেলে খাতরা শহর দেখা এবং সেখান থেকে মুকুটমণিপুর এর দিকে রওনা দেওয়া—এই রুট এখন পর্যটকদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।