উন্নত প্রজাতির মুরগি চাষ করে স্বনির্ভরতার এক সফল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি আজ নিজের পাশাপাশি এলাকার বহু মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন।
advertisement
উন্নত প্রজাতির মুরগি পালনের ফলে ডিম ও মাংস—দু’টিরই উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা সবসময়ই স্থিতিশীল থাকে। ফলে বিক্রি নিয়ে খুব বেশি সমস্যায় পড়তে হয় না বলে জানান প্রশান্ত মণ্ডল। নিয়মিত বাজারে সরবরাহ বজায় রাখতে পারায় তার খামার ধীরে ধীরে লাভজনক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। সরকারি কৃষি দফতরের সহায়তায় প্রশিক্ষণ গ্রহণের পরই তিনি এই কাজ শুরু করেন। শুরুতে অল্পসংখ্যক মুরগি নিয়ে ছোট পরিসরে চাষ শুরু হলেও বর্তমানে তার খামারে উন্নত পদ্ধতিতে বড় আকারে মুরগি পালন করা হচ্ছে। সঠিক খাবার, পরিষ্কার পরিবেশ এবং নিয়মিত পরিচর্যার উপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। উন্নত যে প্রজাতির দাবি করছেন প্রশান্ত বাবু তা হল রেড আইল্যান্ড ও কিছু সোনালি মুরগি। অন্যদিকে এইসব প্রজাতির মুরগি চাষ করে তিনি একবারে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মুরগি বিক্রি ও মাসে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার ডিম বিক্রি করে ভালো মুনাফা পাচ্ছেন। এর জন্য তিনি কৃষি দফতরের সাহায্য নিয়ে ৫-৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রশান্ত মণ্ডলের মতে, উন্নত প্রজাতির মুরগি চাষ গ্রামাঞ্চলের যুবকদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হতে পারে। অল্প পুঁজি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে শুরু করলে ধীরে ধীরে এই ব্যবসা থেকে স্থায়ী আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ধৈর্য ও নিয়ম মেনে কাজ করলে মুরগি পালন অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে। তার এই সাফল্যের গল্প আজ সুন্দরবন অঞ্চলের অনেক তরুণ-তরুণীকে নতুনভাবে উদ্যোগী হতে উৎসাহিত করছে।





