এদিন মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রাম, বাজার ও চাষের জমি এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ করেন আনোয়ারুল হক। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যা শোনেন এবং দলের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। প্রার্থীর দাবি, এই প্রচারে সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য সাড়া মিলছে।
advertisement
আনোয়ারুল হক বলেন, “প্রায় পনেরো বছর পর চাঁচল কেন্দ্রে সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী দেওয়ায় সংগঠনে নতুন প্রাণ ফিরে এসেছে। বহু পুরনো কর্মী, যারা দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন, তাঁরাও আবার মাঠে নেমে পড়েছেন। ফলে গ্রাম থেকে বাজার সব জায়গাতেই লাল ঝান্ডার উপস্থিতি বাড়ছে।”
এদিনের প্রচারে তিনি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, কাটমানি এবং ভাতা নির্ভর রাজনীতির অভিযোগ তুলে সরব হন। তাঁর কথায়, “আমরা অনেক আগেই প্রচার শুরু করেছি। মকদমপুরের বিভিন্ন বুথে গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা এবং একাধিক দুর্নীতিই আমাদের প্রচারের মূল ইস্যু। সাধারণ মানুষ নিজেরাই তাঁদের অসন্তোষের কথা জানাচ্ছেন এবং আমাদের সমর্থন করছেন।” তিনি আরও জানান, নির্বাচনে জয়ী হলে স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তোলা এবং সামগ্রিক উন্নয়নের উপরই জোর দেওয়া হবে।
সব মিলিয়ে, দীর্ঘদিন পর সংগঠনের পুনরুজ্জীবন এবং জোরকদমে প্রচারের জেরে চাঁচল বিধানসভায় সিপিআই(এম)-এর লড়াই নতুন করে জমে উঠেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





