এই আশ্রমের বিশেষ আকর্ষণ হল ঋষি অরবিন্দের দেহাবশেষ, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর চুল ও নখ। পাশাপাশি সংরক্ষিত রয়েছে তাঁর ব্যবহৃত শেষ রুমালও। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের কাছে এই সমস্ত নিদর্শন গভীর শ্রদ্ধা ও আবেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। ইতিহাস বলছে, ১৯৫৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবাণী পরিচালিত নবদ্বীপ অরবিন্দ আশ্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঋষি অরবিন্দের দেহাবশেষ স্থাপন করা হয়। পুদুচেরির বাইরে এটিই ছিল প্রথম স্থান, যেখানে তাঁর দেহাবশেষ সংরক্ষণ করা হয়—যা সেই সময়ে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল।
advertisement
আরও পড়ুন : ‘আইসক্রিমের রাজধানী’ বলা হয়ে ভারতের কোন শহরকে? আপনি যা ভাবছেন সেটা মোটেও নয়! এক ক্লিকে জানুন সঠিক উত্তর!
এর আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি পুদুচেরি আশ্রমে ‘শ্রীমা’ স্বয়ং বঙ্গবাণীর ১২ জন কর্মকর্তার হাতে এই দেহাবশেষ তুলে দেন। বর্তমানে নবদ্বীপ বঙ্গবাণী ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই আশ্রমটি শুধু একটি ধর্মীয় কেন্দ্র নয়, বরং শিক্ষা ও সংস্কৃতিরও এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ঋষি অরবিন্দের ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এখানে গড়ে উঠেছে তেরোটি বিষয়ে পৃথক পাঠ্যক্রম সম্বলিত একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
আধ্যাত্মিকতা, ইতিহাস ও শিক্ষার মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই আশ্রম প্রতিদিনই আকর্ষণ করছে অসংখ্য দর্শনার্থীকে। নবদ্বীপ ভ্রমণে এটি এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হয়ে উঠেছে।





