Tulsi Plant: গরম পড়তেই হলুদ হয়ে যাচ্ছে তুলসীর পাতা? ছোট্ট কৌশলে শুকনো ডাল, পাতাও হয়ে উঠবে তাজা সবুজ! রইল সহজ টোটকা
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Tulsi plant: তুলসীকে পবিত্র গাছ বলে মনে করা হয়। তুলসীকে দেবী লক্ষ্মীর রূপ হিসেবে পুজোও করেন অনেকে। তুলসী ভগবান বিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয়। এই কারণেই অনেক বাড়িতেই তুলসীর নিত্যপুজো হয়।
*হিন্দু ঐতিহ্যে তুলসী গাছের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি কেবল ঔষধি গুণসম্পন্ন একটি গাছই নয়, এটিকে আধ্যাত্মিকভাবেও পবিত্র বলে মনে করা হয়। তুলসীকে দেবী লক্ষ্মীর প্রতিমূর্তি হিসেবে পুজো করা হয় এবং এটি ভগবান বিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয়। এই কারণেই অনেক বাড়িতে তুলসী গাছ লাগানো এবং প্রতিদিন তার পুজা করা প্রথা হিসেবে প্রচলিত। অনেকে বিশ্বাস করেন, এটি বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। আপনি কি জানেন এই গুরুত্বপূর্ণ গাছটিকে কীভাবে রক্ষা করতে হয়?
advertisement
*পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার কারণঃ তুলসী গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা। তবে, এটি ইঙ্গিত দেয় গাছের কোনও সমস্যা হচ্ছে। খুব বেশি বা খুব কম জল দেওয়ার কারণে এই সমস্যা হতে পারে। অপর্যাপ্ত সূর্যালোক, মাটিতে পুষ্টির অভাব, পোকামাকড়ের আক্রমণ এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের মতো কারণগুলোও এটিকে প্রভাবিত করতে পারে। এই পরিস্থিতিকে গাছের উপর চাপ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। বেশ কয়েকটি কারণের সংমিশ্রণে এই সমস্যাটি বাড়তে পারে।
advertisement
*জল দেওয়ার পদ্ধতিঃ তুলসী গাছে সঠিক পরিমাণে জল দেওয়া খুব জরুরি। মাটি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলেই কেবল জল দিন। যদি এমনভাবে জল দেন যাতে মাটি সবসময় ভেজা থাকে, তাহলে গাছের শিকড় পচে যেতে পারে। এটাও খেয়াল রাখতে হবে যেন টবে জল জমে না থাকে। গ্রীষ্মকালে একটু বেশি এবং শীতকালে একটু কম জল দেওয়া ভাল। জলের পরিমাণ সঠিক না হলে তা গাছের বৃদ্ধিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
advertisement
*সূর্যালোক প্রয়োজনঃ তুলসী গাছের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সূর্যালোক খুবই জরুরি। গাছের দিনে অন্তত চার থেকে ছয় ঘণ্টা সূর্যালোক পাওয়া উচিত। বারান্দা বা ছাদে রাখলে ভাল ফল পাওয়া যাবে। যদি এটিকে খুব বেশি সময় ছায়ায় রাখা হয়, তাহলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়বে। সূর্যালোক পর্যাপ্ত না হলে পাতা হলুদ হতে শুরু করবে। তাই তুলসী গাছের জন্য সঠিক জায়গা নির্বাচন করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
*মাটি ও পুষ্টির গুরুত্বঃ তুলসী গাছের বৃদ্ধিতে মাটির গুণমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাগানের মাটি, কম্পোস্ট এবং কোকোপিটের মিশ্রণ ব্যবহার করলে গাছটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে। টবে জল নিষ্কাশনের ছিদ্র থাকাও খুব জরুরি। এগুলো না থাকলে জল জমে গাছের শিকড়ের ক্ষতি করবে। প্রতি দুই বা তিন সপ্তাহ পর পর কম্পোস্ট যোগ করলে মাটিতে পুষ্টির মাত্রা বজায় থাকবে।
advertisement







