advertisement

Sleep Hygiene: চোখের সুস্থতায় ঘুমের যত্ন: ভাল ঘুমই কেন জরুরি আপনার চোখের জন্য? জানুন বিশেষজ্ঞের মতামত

Last Updated:
Sleep Hygiene: চোখের জন্য স্বাস্থ্যকর ঘুমের রুটিন-- চোখ ভাল রাখতে জটিল কিছু নয়, দরকার নিয়মিত কিছু অভ্যাস। জানুন বিশেষজ্ঞের মতামত।
1/8
ঘুমের কথা উঠলেই আমরা সাধারণত মস্তিষ্কের বিশ্রাম, স্মৃতিশক্তি বা মানসিক পুনরুদ্ধারের কথা ভাবি। কিন্তু শরীরের আরেকটি অঙ্গ রয়েছে, যা সমানভাবে পরিশ্রম করে অথচ অনেকটাই উপেক্ষিত থেকে যায়-- আমাদের চোখ। আজকের ডিজিটাল যুগে সারাদিন স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা, রাত জেগে ফোন স্ক্রল করা এবং কৃত্রিম আলোর মধ্যে থাকা-- সব মিলিয়ে চোখের উপর চাপ আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই ঘুম শুধু বিশ্রাম নয়, এটি চোখের পুনরুদ্ধারের সময়ও।
ঘুমের কথা উঠলেই আমরা সাধারণত মস্তিষ্কের বিশ্রাম, স্মৃতিশক্তি বা মানসিক পুনরুদ্ধারের কথা ভাবি। কিন্তু শরীরের আরেকটি অঙ্গ রয়েছে, যা সমানভাবে পরিশ্রম করে অথচ অনেকটাই উপেক্ষিত থেকে যায়-- আমাদের চোখ। আজকের ডিজিটাল যুগে সারাদিন স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা, রাত জেগে ফোন স্ক্রল করা এবং কৃত্রিম আলোর মধ্যে থাকা-- সব মিলিয়ে চোখের উপর চাপ আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই ঘুম শুধু বিশ্রাম নয়, এটি চোখের পুনরুদ্ধারের সময়ও।
advertisement
2/8
পুনের এক চক্ষু বিশেষজ্ঞের কথায়, আমাদের চোখ শরীরের সবচেয়ে বেশি পরিশ্রমী অঙ্গগুলির মধ্যে একটি। এই চোখেরও প্রতিদিন অন্তত ৭–৯ ঘণ্টা বিশ্রাম প্রয়োজন, যাতে সারাদিনের ডিজিটাল ক্লান্তি ও পরিবেশগত ক্ষতি থেকে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে।
পুনের এক চক্ষু বিশেষজ্ঞের কথায়, আমাদের চোখ শরীরের সবচেয়ে বেশি পরিশ্রমী অঙ্গগুলির মধ্যে একটি। এই চোখেরও প্রতিদিন অন্তত ৭–৯ ঘণ্টা বিশ্রাম প্রয়োজন, যাতে সারাদিনের ডিজিটাল ক্লান্তি ও পরিবেশগত ক্ষতি থেকে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে।
advertisement
3/8
ডিজিটাল অভ্যাসের চাপ-- বর্তমান সময়ে চোখ ও ঘুম-- দুটির জন্যই সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার। স্ক্রিন শুধু মস্তিষ্ককে সচল রাখে না, চোখের স্বাভাবিক কাজের ধরনও বদলে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ক্রিনের নীল আলো আমাদের চোখের পলক ফেলার হার প্রায় ৬৬% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। ফলে চোখ শুকিয়ে যায়, ক্লান্ত লাগে এবং এই অস্বস্তি ঘুমের সময়েও থেকে যায়। যাদের চোখে নিয়মিত শুষ্কতার সমস্যা থাকে, তাদের জন্য ঘুমানোর আগে লুব্রিকেটিং আই অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা উপকারী হতে পারে। এটি রাতে চোখকে আর্দ্র রাখে এবং সকালে অস্বস্তি কমায়।
ডিজিটাল অভ্যাসের চাপ-- বর্তমান সময়ে চোখ ও ঘুম-- দুটির জন্যই সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার। স্ক্রিন শুধু মস্তিষ্ককে সচল রাখে না, চোখের স্বাভাবিক কাজের ধরনও বদলে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ক্রিনের নীল আলো আমাদের চোখের পলক ফেলার হার প্রায় ৬৬% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। ফলে চোখ শুকিয়ে যায়, ক্লান্ত লাগে এবং এই অস্বস্তি ঘুমের সময়েও থেকে যায়। যাদের চোখে নিয়মিত শুষ্কতার সমস্যা থাকে, তাদের জন্য ঘুমানোর আগে লুব্রিকেটিং আই অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা উপকারী হতে পারে। এটি রাতে চোখকে আর্দ্র রাখে এবং সকালে অস্বস্তি কমায়।
advertisement
4/8
ছোট অভ্যাস, বড় ক্ষতি-- আমাদের অনেক দৈনন্দিন অভ্যাস আছে যা ক্ষতিকর হলেও আমরা গুরুত্ব দিই না। এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ একটি হলো কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে ঘুমানো। চিকিৎসকদের মতে, লেন্স পরে ঘুমোলে কর্নিয়ায় অক্সিজেন পৌঁছনো কমে যায়। এর ফলে সংক্রমণ বা গুরুতর সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
ছোট অভ্যাস, বড় ক্ষতি-- আমাদের অনেক দৈনন্দিন অভ্যাস আছে যা ক্ষতিকর হলেও আমরা গুরুত্ব দিই না। এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ একটি হলো কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে ঘুমানো। চিকিৎসকদের মতে, লেন্স পরে ঘুমোলে কর্নিয়ায় অক্সিজেন পৌঁছনো কমে যায়। এর ফলে সংক্রমণ বা গুরুতর সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
advertisement
5/8
এছাড়া চোখ ঘষার অভ্যাসও মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি চোখের চারপাশের ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করে, বলিরেখা বাড়ায় এবং চোখে জ্বালা বা সংক্রমণের কারণ হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল-- ঘুমনোর আগে মেকআপ না তুলে ফেলা। এতে চোখের গ্রন্থি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, জ্বালা হতে পারে এবং সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে।
এছাড়া চোখ ঘষার অভ্যাসও মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি চোখের চারপাশের ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করে, বলিরেখা বাড়ায় এবং চোখে জ্বালা বা সংক্রমণের কারণ হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল-- ঘুমনোর আগে মেকআপ না তুলে ফেলা। এতে চোখের গ্রন্থি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, জ্বালা হতে পারে এবং সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে।
advertisement
6/8
চোখের জন্য স্বাস্থ্যকর ঘুমের রুটিন-- চোখ ভাল রাখতে জটিল কিছু নয়, দরকার নিয়মিত কিছু অভ্যাস। দিনের বেলায় ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলা খুবই কার্যকর। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিটে ২০ ফুট দূরের কোনও বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকানো। এতে চোখের চাপ কমে এবং দিনের শেষে ক্লান্তি কম থাকে।
চোখের জন্য স্বাস্থ্যকর ঘুমের রুটিন-- চোখ ভাল রাখতে জটিল কিছু নয়, দরকার নিয়মিত কিছু অভ্যাস। দিনের বেলায় ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলা খুবই কার্যকর। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিটে ২০ ফুট দূরের কোনও বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকানো। এতে চোখের চাপ কমে এবং দিনের শেষে ক্লান্তি কম থাকে।
advertisement
7/8
রাতে ঘুমানোর আগে মোবাইল বা ল্যাপটপে নাইট মোড ব্যবহার করা বা উষ্ণ আলো বেছে নেওয়াও উপকারী। এতে নীল আলোর প্রভাব কমে। ঘুমের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। সম্পূর্ণ অন্ধকারে ঘুমালে শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন বাড়ে, যা চোখের রেটিনার জন্যও উপকারী। প্রয়োজনে ব্ল্যাকআউট পর্দা বা স্লিপ মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।
রাতে ঘুমানোর আগে মোবাইল বা ল্যাপটপে নাইট মোড ব্যবহার করা বা উষ্ণ আলো বেছে নেওয়াও উপকারী। এতে নীল আলোর প্রভাব কমে। ঘুমের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। সম্পূর্ণ অন্ধকারে ঘুমালে শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন বাড়ে, যা চোখের রেটিনার জন্যও উপকারী। প্রয়োজনে ব্ল্যাকআউট পর্দা বা স্লিপ মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।
advertisement
8/8
সবশেষে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম এবং একটি শান্ত, নিয়মিত বেডটাইম রুটিন শুধু ঘুমের মানই বাড়ায় না-- চোখকেও রাখে সুস্থ ও সতেজ। চোখের যত্ন মানেই শুধু চোখের ড্রপ নয়, বরং সঠিক ঘুম ও সচেতন জীবনযাপনই এর আসল চাবিকাঠি।
সবশেষে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম এবং একটি শান্ত, নিয়মিত বেডটাইম রুটিন শুধু ঘুমের মানই বাড়ায় না-- চোখকেও রাখে সুস্থ ও সতেজ। চোখের যত্ন মানেই শুধু চোখের ড্রপ নয়, বরং সঠিক ঘুম ও সচেতন জীবনযাপনই এর আসল চাবিকাঠি।
advertisement
advertisement
advertisement