মন্দির সূত্রে জানা গেছে, গৌড় পূর্ণিমার দিন প্রথমে শ্রীচৈতন্যদেবের অভিষেক সম্পন্ন হবে মহাপ্রভু মন্দিরে। এরপর সেই পবিত্র অভিষেকের জল শোভাযাত্রার মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হবে বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর মন্দিরে এবং তা উৎসর্গ করা হবে দেবীর চরণে। এই আচার ঘিরে ভক্তদের মধ্যে বিশেষ উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
advertisement
মহাপ্রভু মন্দিরের কর্মকর্তা সুধীন গোস্বামী জানান, মহাপ্রভুর প্রথম পত্নী লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবীর সর্পাঘাতে মৃত্যুর পর তিনি গভীরভাবে বিমর্ষ হয়ে পড়েন। বিষয়টি লক্ষ্য করেন তাঁর মাতা শচীমাতা। পরবর্তীতে গঙ্গাস্নানের সময় শচীমাতা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকে দেখে পছন্দ করেন এবং তাঁর পিতা সনাতন মিশ্রের সঙ্গে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন। সেই সূত্রেই নবদ্বীপেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মহাপ্রভু ও বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী।
উল্লেখ্য, বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর মন্দিরে বর্তমানে যে মহাপ্রভু ও দেবীর যুগল মূর্তি প্রতিষ্ঠিত রয়েছে, তা স্থাপন করেন যাদবাচার্যের পুত্র মাধবাচার্য। গৌড় পূর্ণিমা উপলক্ষে কীর্তন, পুজো ও বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উৎসব পালন করা হবে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।





