এই অভিনব কাঁঠালের চাষ ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বাঁকুড়ার ব্রাহ্মণপাড়ার বাসিন্দা কমলেশ সাঁতরা। তাঁর নিজের বাগানেই রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি কাঁঠাল গাছ। সেখানেই ফলছে এই বিদেশি জাতের কাঁঠাল। কমলেশবাবু জানান, এই কাঁঠালের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, শীতকালেও ভাল ফলন দেয়। ফলে সারা বছরই এই কাঁঠাল চাষে লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে এই কাঁঠাল প্রতি পিস প্রায় ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারে ছোট হওয়ায় পরিবারের ছোট সদস্যদের কাছেও এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
advertisement
স্থানীয় বাজারে এই কাঁঠাল বিক্রি করতে গিয়ে কমলেশবাবু দেখছেন, অনেকেই শুধু কৌতূহলবশত কিনছেন, আবার কেউ কেউ স্বাদ পেয়ে বারবার ফিরে আসছেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে ফাইবার সমৃদ্ধ এই কাঁঠালের চাহিদা বাড়ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কমলেশ সাঁতরা জানান, কাঁঠাল গাছের পরিচর্যায় তিনি কোনও রকম ফাঁক রাখেন না। জল দেওয়া, সার প্রয়োগ থেকে শুরু করে রোগপোকার দিকেও নিয়মিত নজর রাখেন। দিনের বেশিরভাগ সময় তিনি ব্যায়াম, প্রশিক্ষণ ও বাগান চর্চার মধ্যেই কাটান। তাঁর মতে, সঠিক যত্ন নিলে এই বিদেশি জাতের কাঁঠাল ভবিষ্যতে বাঁকুড়া জেলার কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দিশা দেখাতে পারে।





