বেশ কয়েকজন মৎস্যজীবী ছিটকে পড়ে গেলে ও বাকিদের খোঁজ এখনও মেলেনি। তখনই ওই জাহাজটি মৎস্যজীবীদের উদ্ধারের কাজে হাত লাগিয়ে নয় জন মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করে৷ জানা গিয়েছে, মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কেরলের তিরুবন্তপুরম জেনারেল হাসপাতালে৷ সেখানে তারা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়লেও বাকি দুই মৎস্যজীবী এখনও তাদের খোঁজ মেলেনি। আর সেই ভয়াবহ দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পরেই পরিবারের লোকেরা জানতে পারে।
advertisement
এরপর একে একে এলাকার মানুষজন ভিড় জমিয়েছেন সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর গোপালগঞ্জ অঞ্চলের শানকিজাহান গ্ৰামের একই পরিবারের পিতা পুত্র লক্ষণ ও বাদল দাসের বাড়িতে। কয়েক মাস আগে সুন্দরবন থেকে তারা কেরলে যায় । গত বৃহস্পতিবার এলাকার ঘাট থেকে ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। এরপর তারা প্রতিদিনের মতো মাছ ধরতে শুরু করে। অধিক রাত পর্যন্ত তারা সমুদ্রে মাছ ধরেন তারা। সেই সময় ওই জাহাজ ধাক্কা মারেতেই ডুবে যায় ট্রলারটি।
জাহাজে থাকা মানুষজন উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। এবং নয় জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মুহূর্তে তারা চিকিৎসাধীন। কাকদ্বীপের ৯ মৎস্যজীবী ও সুন্দরবনের সানকিজাহানের দুই মৎস্যজীবী লক্ষণ দাস ও বাদল দাস এখনও নিখোঁজ। কাকদ্বীপের বাসুদেব দাস-সহ একাধিক মৎস্যজীবী এখন চিকিৎসাধীন।
ঘটনার খবর জানাজানি হতেই কুলতলী বিধানসভার বিধায়ক গণেশচন্দ্র মণ্ডলের প্রতিনিধি দল ওই নিখোঁজ পরিবারে সঙ্গে দেখা করেন তাদেরকে সহযোগিতার হাত ও বাড়িয়ে দেন। আগামী দিনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন বিধায়ক। যদিও মৎস্যজীবীরা ক্যাবিনের ভেতরে ঘুমানো অবস্থায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে৷ ফলে সেই মুহূর্তে তারা লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারের সুযোগ না পাওয়ায়, প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। এমনই ভাবছেন পরিবারের লোকজন।






