রায়মনিখাকি চড়া গঙ্গা মহাশ্মশান এলাকায় এই মন্দির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষ্যে চলছে উৎসব। মাসখানেক আগে এই এলাকায় একটি হনুমান মারা যাওয়ার পর স্থানীয় নীলরতন সামন্ত নামের এক ব্যক্তি তিনি মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেন। ধীরে ধীরে পাশে এসে দাঁড়ায় গ্রামবাসীরা।
advertisement
এই মন্দির প্রতিষ্ঠার জন্য ভোরের আলো ফোটার আগেই শুরু হয় প্রভাত ফেরি। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে গোটা এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, এখানে কোনও রাজনীতির ছোঁয়া থাকবেনা।
এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা অশোক কাঁসারির বক্তব্য, ‘এটা আমাদের ধর্মীয় আবেগের প্রকাশ। এখানে কোনও রাজনীতি নেই, শুধু ভক্তি আর ভালবাসা আছে।’ আট থেকে আশি সকলেই এই শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।
উদ্যোক্তাদের কথায়, ‘আমরা চাইনি এই অনুষ্ঠানে কোনও রাজনৈতিক রং লাগুক। ধর্ম মানুষের অন্তরের বিষয়। এখানে সকলের জন্য দরজা খোলা-কোন বিভেদ নেই।’ তাঁদের এই বক্তব্যই যেন গোটা আয়োজনের মূল দর্শনকে সামনে নিয়ে আসে।সবকিছুতেই স্থানীয় মানুষের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত। জানা গিয়েছে এখানে বস্ত্র বিতরণ-সহ একাধিক সামাজিক অনুষ্ঠান হবে, চলবে নম সংকীর্তন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, ‘নির্বাচন তার নিজের জায়গায় থাকবে। কিন্তু ধর্ম, ভক্তি আর মানবিকতা মানুষের হৃদয়ের বিষয়। এই ধরনের আয়োজন মানুষকে একত্রিত করে, ভেদাভেদ দূর করে।’ নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরণের প্রয়াস নজর কেড়েছে সকলের।





