স্থানীয় তাঁত মালিক রাজু দাস জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার শাড়ির অর্ডার আসছে। দিনরাত এক করে কাজ করছেন কারিগররা। গতবারের তুলনায় এ বছর তৃণমূলের প্রতীকযুক্ত শাড়ির চাহিদা বেশি হলেও, বিজেপি ও বামেদের শাড়ির অর্ডারও কম নয়। তবে এই ব্যস্ততার মাঝেও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালীর সমস্যার জেরে রং ও অন্যান্য উপকরণের দাম আকাশছোঁয়া। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে গিয়ে লাভের অঙ্কে টান পড়ছে।
advertisement
তাঁতশিল্পীরা বলছেন, ‘আমাদের কাছে কোনও রাজনৈতিক দল নেই। সব রংই সমান। আমরা কাজ করি পেটের দায়ে এবং শিল্পের টানে।’ বছরের বেশিরভাগ সময় মন্দার মধ্যে থাকা এই শিল্পের জন্য নির্বাচনের মরশুম যেন একরকম আশীর্বাদ, অর্ডার বাড়ে, কাজের সুযোগ তৈরি হয়।
রাজনৈতিক মেরুকরণের সময়ে শান্তিপুরের এই তাঁতশালাগুলি এক অন্য বার্তা দিচ্ছে। এখানে বিভেদের বদলে সহাবস্থানই প্রধান। একই তাঁতে যেমন ভিন্ন রঙের সুতো মিলেমিশে এক সুন্দর শাড়ি তৈরি করে, তেমনই এই শিল্পও প্রমাণ করছে সহযোগিতাই প্রকৃত শক্তি। শান্তিপুরের তাঁতশিল্প তাই শুধু অর্থনীতির নয়, সামাজিক সম্প্রীতিরও এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।





