শনিবার রাত ১১’টা নাগাদ যখন প্রিয়াঙ্কা থানায় পৌঁছন, তখন তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে টলিপাড়ার একজোট হওয়ার ছবি ধরা পড়ে। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে থানায় উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, যীশু সেনগুপ্ত, ইন্দ্রাশিস রায় এবং সৌরভ দাস। শনিবার রাত দু’টো পর্যন্ত তারকারা থানায় ছিলেন। পরিবারের দাবি, শুটিংয়ের সময় নিরাপত্তা ও পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন। প্রিয় সহকর্মীকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ টলিপাড়া এখন বিচারের অপেক্ষায়। বালেশ্বর জেলার অ্যাডিশনাল এসপি দিব্যজ্যোতি দাস বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হবে। স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা জানান, থানা থেকে সব রকম সহযোগিতা পেয়েছেন।
advertisement
প্রসঙ্গত, ঠিক এক সপ্তাহ আগে তালসারির সমুদ্র সৈকতে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মারা যান রাহুল অরুনোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিয়ে বেশ কিছু ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রিয়াঙ্কা সেই সব মিসিং লিংক জানতে চান। ইউনিটের তরফ থেকে কোনও গাফিলতি ছিল কিনা সেই বিষয়েও খুঁটিয়ে জানতে চান। যদিও শোনা গিয়েছে শুটিংয়ের অনুমতি ছিল না প্রোডাকশন হাউজের কাছে। যদি সেটাই সত্যি হয়ে থাকে, তবে কী কারণে রাহুলকে বাঁচানো গেল না? সেইসব নানা প্রশ্নের উত্তর চেয়ে প্রিয়াঙ্কা তালসারি থানায় FIR দায়ের করেন। পাশে অভিভাবকের মতো তাঁকে আগলে রাখেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
পঙ্কজ দাশরথী
