হাসিমারা থেকে হেলিকপ্টারে বিকেল চারটে নাগাদ আসবেন কোচবিহার বিমান বন্দরে। এরপরে বিকেল সওয়া চারটে নাগাদ কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে পৌঁছবেন রাসমেলা ময়দানে বিকাল । কোচবিহার বিমানবন্দরে আবার ফিরে যাবেন ৫টা নাগাদ। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে হাসিমারা। হাসিমারা এয়ারবেস থেকে বিশেষ বিমানে প্রধানমন্ত্রী গুয়াহাটির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।
রাসমেলা ময়দানে মোট তিন ধাপে মঞ্চ করা হয়েছে। মাঝখানের মূল মঞ্চ থেকে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, রবিবার কোচবিহার বিমানবন্দরে বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে অবতরণ করবে। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে রাসমেলা ময়দানে পৌঁছোবেন মোদি। যে সড়কপথে তিনি সভামঞ্চে পৌঁছোবেন, তার দু’ধারে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সভার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী, জেলা পুলিশ প্রশাসন থেকে এসপিজি সভাস্থল এবং আশেপাশের এলাকায় কড়া নজরদারি চালিয়েছে। আবার সম্ভাব্য ভিড়ের কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য বিকল্প রাস্তাও তৈরি করে রাখা হচ্ছে।
advertisement
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে কোচবিহার-সহ উত্তরবঙ্গে ফের বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রীর সভাকে ঘিরে নতুন করে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে পদ্মশিবিরে। সংগঠনিক দৃষ্টিতে মেখলিগঞ্জ বিধানসভাকে জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্ভুক্ত ধরা হলেও, সেই কেন্দ্র বাদ দিয়ে কোচবিহারের আটটি ও আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি—মোট ১৩টি আসনের প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এই প্রেক্ষিতে রাসমেলার বিশাল মাঠ ভরানো বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। জেলা বিজেপি সভাপতি অভিজিৎ বর্মণ জানিয়েছেন, কোচবিহার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এই সভা থেকেই তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর বার্তা দেওয়া হবে এবং তিন লক্ষেরও বেশি মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
