খবর পেয়েই সেচ দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জরুরি ভিত্তিতে মেরামতির কাজ শুরু করেন। বালি ভর্তি জিওব্যাগ ফেলে ও মাটি দিয়ে ধসে যাওয়া অংশ আটকানোর কাজ চলছে। দফতরের আধিকারিকদের দাবি, দ্রুত অস্থায়ী মেরামতির কাজ সম্পন্ন করা হবে, যাতে নতুন করে জল প্রবেশের আশঙ্কা না থাকে। পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে বাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। সেচ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ধস নামলেও এখনও পর্যন্ত গ্রামে নদীর জল ঢোকেনি। তবে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
advertisement
ভরা কটালের সময় নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় বাঁধের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। ফলে এমন ঘটনা প্রায়শই দেখা যায় বলে স্থানীয়দের মত। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সদস্য জানান, পাখিরালয় পুরনো খেয়া ঘাটের কাছে হঠাৎ করে সন্ধ্যাবেলায় ধস নামে। বেশ কয়েকদিন ধরে এই জায়গার অবস্থা খারাপ ছিল। ধসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন এসডিও এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাংলাদেশী পণ্যবাহী জাহাজ এই পাখিরালয় নদীতে নোঙর করার কারণে নদীর ঢেউ হয় এবং যাতায়াতের কারণে ধস কবলিত এলাকাগুলিতে ধস দেখা দিয়েছে। পাখিরালয় পুরনো খেয়াঘাট, জ্যোতিরামপুর, উত্তর ডাঙ্গা, হেতালবেড়িয়া সহ একাধিক জায়গা ভাঙ্গন কবলিত। বারবার প্রশাসনকে জানানোর পরেও নদীবাঁধে কাজ হয়নি। উল্লেখ্য, সুন্দরবনের উপকূলবর্তী অঞ্চলে নদী বাঁধই গ্রামবাসীদের একমাত্র সুরক্ষা। সামান্য ফাটল বা ধস বড় বিপদের ইঙ্গিত দিতে পারে। তাই দ্রুত মেরামতির কাজ শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে পাখিরালয়ের মানুষের মধ্যে। তবে দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী সমাধানের দাবিও জোরালো হচ্ছে।





