এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় ৩৫ বছর আগে সপ্তমুখি নদীর এই বাঁধের নিচের অংশটি ইট বিছিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। ফেলা হয়েছিল মাটি। এরপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। অতীতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় প্রায় চার বার ধরে এই নদী বাঁধটি ভেঙেছে। সেই সময় এই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। তড়িঘড়ি তখন মাটি ফেলে অস্থায়ী ভাবে বাঁধ মেরামত করা হয়েছিল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, মাঝেমধ্যে এই নদী বাঁধে কয়েক ঝুড়ি মাটি ফেলা হয়েছে।
advertisement
কিন্তু স্থায়ীভাবে বাঁধ মেরামতের কোনও পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। ফলে সমস্যা থেকেই গিয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে মাটি সরে বের হয়ে এসেছে সেই ইট। এই বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা মণিমোহন মন্ডল বলেন, দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে নদী বাঁধটি বেহাল হয়ে পড়ে আছে। বিভিন্ন দফতরে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। প্রতিবারই নির্বাচনের সময় স্থায়ী নদীবাঁধ তৈরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে তা পালন করা হয় না।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অথচ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এই সপ্তমুখী নদী ভয়াবহ রূপ নেয়। যদি বাঁধটি ভেঙে যায়, তাহলে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সেজন্য এখানে স্থায়ীভাবে কংক্রিটের নদীবাঁধ তৈরি করার প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রসঙ্গে নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিষেক দাস বলেন, নদীবাঁধ মেরামত করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার একটি টাকাও দেয় না। রাজ্য সরকার নিজস্ব অর্থে বাঁধগুলির মেরামতি করে। বর্ষার আগের মরশুমে ওই নদীবাঁধ মেরামতের কাজ করা হয়েছে। এবার স্থায়ীভাবে নদীবাঁধ নির্মাণ করার জন্য সেচদফতর একটি পরিকল্পনা নিয়েছে।





