পুজো কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, অফিস ঘরের আলমারি ভেঙে সেখানে রাখা নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। ঠিক কত টাকা লোপাট হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো না হলেও, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ছিল বলে দাবি কমিটির একাধিক সদস্যের। শুধু ভাঙচুর বা চুরির অভিযোগই নয়, ঘটনার সময় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুজো কমিটির সদস্যদের দাবি, দুষ্কৃতীরা অত্যন্ত ভয়ভীতি সৃষ্টি করে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যায়। যার ফলে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: আলু কাটলেই টাকা! এইভাবেও রোজগার করা যায়…! বর্ধমানের মহিলাদের অভিনব ‘বিজনেস আইডিয়া’ তাক লাগছে সবার
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছে অমিত গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অমিত গাঙ্গুলি। তাঁর দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনও যোগ নেই। আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।” একইভাবে অভিযোগ মানতে নারাজ তাঁর সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত সন্দীপ প্রামাণিকও। তিনিও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনার পর গড়িয়া নবদুর্গা পুজো কমিটির পক্ষ থেকে নরেন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা জানতে প্রত্যক্ষদর্শীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।






