স্থানীয় সূত্র ও লোককথা অনুযায়ী, প্রায় ২০০ বছর আগে হিমালয় থেকে তপস্যার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এই নির্জন পাহাড়ি অঞ্চলে এসে পৌঁছন এক সাধক, বংশীধারী যোগী বাবা। গভীর সাধনা ও ধ্যানের জন্য নির্জনতা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যকে বেছে নিয়ে তিনি পাহাড়ের নিচে নিজ হাতে এই গুহা নির্মাণ করেন। ওই সাধক দীর্ঘদিন এই গুহাতেই বসবাস করে তপস্যায় মগ্ন ছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। পরবর্তীকালে তিনি অন্যত্র চলে যান, তবে রেখে যান তাঁর সাধনাস্থল ও রহস্যঘেরা এই গুহা। গভীর সাধনার জন্য তিনি পাহাড়ের নিচে এই গুহা নির্মাণ করে সেখানেই বসবাস শুরু করেন।
advertisement
নির্জনতা, প্রকৃতির সান্নিধ্য এবং পাহাড়ঘেরা পরিবেশ তাঁর তপস্যার জন্য আদর্শ ছিল বলেই মনে করা হয়। সময়ের স্রোতে এই গুহা আজ শুধুমাত্র একটি প্রাচীন স্থাপনা নয়, বরং ইতিহাস, বিশ্বাস ও রহস্যে মোড়া এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনে পরিণত হয়েছে। পাহাড় ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আধ্যাত্মিক আবহ এবং অতীতের স্মৃতিবাহী এই গুপ্ত গুহা আজ জয়চন্ডী পাহাড়ে আগত পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।





