এখানে মালা গাঁথার হিসেব চলে ‘কুড়ি’ হিসেবে। দশটি করে মোট কুড়িটি মালা গাঁথলে তাকে বলা হয় এক কুড়ি। প্রতিটি কুড়ি মালা গাঁথার জন্য মহিলারা পান ১৫ টাকা করে মজুরি। তবে আয় নির্ভর করে কে কত দ্রুত ও কত বেশি মালা গাঁথতে পারেন তার ওপর। কেউ দিনে ১০ কুড়ি পর্যন্ত মালা গাঁথেন, আবার কেউ পাঁচ কুড়ি পর্যন্ত করতে পারেন।
advertisement
আরও পড়ুন- আগামী ২৭ দিন আরও ভয়ঙ্কর…! ভাগ্য বদলে দেবেন শনিদেব, এই ৩ রাশির কাটবে ফাঁড়া, জানুন আপনার কপালে কী?
যেহেতু গাঁদা ফুলের চাষ সারা বছর সমানভাবে হয় না, তাই এই কাজও সারা বছর নিয়মিত থাকে না। তবুও বাড়ির গৃহস্থালির কাজ শেষ করে অবসর সময়ে এই মালা গাঁথার কাজ করে কিছুটা উপার্জন করতে পারেন এলাকার মহিলারা। সেই আয় দিয়ে সংসারের খরচে সামান্য হলেও সহায়তা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা অনিতা রায় জানান, বাড়ির কাজকর্ম সামলে সময় পেলেই তিনি মালা গাঁথেন। এতে খুব বেশি টাকা না মিললেও নিজের হাতখরচা এবং সংসারের ছোটখাটো খরচ মেটাতে কিছুটা সুবিধা হয়। গ্রামের বহু মহিলার কাছেই তাই গাঁদা ফুলের এই মালা গাঁথা শুধুমাত্র একটি কাজ নয়, বরং স্বনির্ভরতার ছোট্ট এক পথ। যদিও আয় সীমিত, তবুও এই সামান্য উপার্জনই তাদের জীবনে এনে দেয় কিছুটা স্বস্তি।





