advertisement

Tyarea festival North Bengal: 'এক কলসি জলে শীত বিদায়'! উত্তরবঙ্গে ধুমধাম করে পালিত হল ‘ত্যারেয়া’ পরব, রীতিনীতি অবাক করা

Last Updated:
Tyarea festival North Bengal: শীতের বিদায়বেলায় উত্তরবঙ্গের গ্রামগুলোতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে ত্যারেয়া উৎসবের কথা। কলসি ভর্তি জল নিয়ে এক প্রাচীন আচারের মাধ্যমে বসন্তকে স্বাগত জানায় গ্রামবাসীরা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এই লোকসংস্কৃতি।
1/5
এক কলসি জল ঢেলেই বিদায় জানানো হয় শীতকে! রং উৎসবের আগে এরূপ অভিনব উৎসবেই মেতে ওঠে উত্তরবঙ্গের এই এলাকার মানুষজন। বসন্তবরণের প্রাচীন লোকাচার ‘ত্যারেয়া’—আজও জীবন্ত উত্তরবঙ্গের গ্রামে। কী এই ত্যারেয়া জানেন!
এক কলসি জল ঢেলেই বিদায় জানানো হয় শীতকে! রং উৎসবের আগে এরূপ অভিনব উৎসবেই মেতে ওঠে উত্তরবঙ্গের এই এলাকার মানুষজন। বসন্তবরণের প্রাচীন লোকাচার ‘ত্যারেয়া’—আজও জীবন্ত উত্তরবঙ্গের গ্রামে। কী এই ত্যারেয়া জানেন!
advertisement
2/5
প্রতি বছরের মতো এবছরও ১৩ ফাল্গুন উপলক্ষে রাজবংশী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ত্যারেয়া’ বা ত্যারেয়া পরব পালিত হল আচার-অনুষ্ঠান মেনে। শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে বরণ করার এই লোকাচার উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক জীবনে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে।
প্রতি বছরের মতো এবছরও ১৩ ফাল্গুন উপলক্ষে রাজবংশী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ত্যারেয়া’ বা ত্যারেয়া পরব পালিত হল আচার-অনুষ্ঠান মেনে। শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে বরণ করার এই লোকাচার উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক জীবনে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে।
advertisement
3/5
কীভাবে এই উৎসব পালিত হয়! ভোর থেকেই বিভিন্ন গ্রামে তিন রাস্তার মোড়ে সমবেত হন মহিলা ও কচিকাঁচারা। কলার খোল বা ঢনায় শিমুল, পলাশ, মাণ্ডাল-সহ উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে ফোটা নানা রঙের ফুল সাজিয়ে পুজো দেওয়া হয়। কলার খোলে গোবর রেখে আচার সম্পন্ন করার পর এক বালতি ঠান্ডা জল শরীরে ঢেলে, পিছনে না তাকিয়ে বাড়ির পথে রওনা দেন অংশগ্রহণকারীরা।
কীভাবে এই উৎসব পালিত হয়! ভোর থেকেই বিভিন্ন গ্রামে তিন রাস্তার মোড়ে সমবেত হন মহিলা ও কচিকাঁচারা। কলার খোল বা ঢনায় শিমুল, পলাশ, মাণ্ডাল-সহ উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে ফোটা নানা রঙের ফুল সাজিয়ে পুজো দেওয়া হয়। কলার খোলে গোবর রেখে আচার সম্পন্ন করার পর এক বালতি ঠান্ডা জল শরীরে ঢেলে, পিছনে না তাকিয়ে বাড়ির পথে রওনা দেন অংশগ্রহণকারীরা।
advertisement
4/5
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই নিয়ম মেনে পুজো করলে শীতের প্রস্থান ও বসন্তের আগমন মঙ্গলময় হয়। জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে একইভাবে ত্যারেয়া পালিত হয়। কোথাও নদীতীরে জলবরণ, কোথাও গোরুকে স্নান করিয়ে প্রাচীন আচার স্মরণ করা হয়। বিশেষ করে গিলান্ডি নদী-র তীরে জলবরণের রীতি পালনের কথাও জানা গেছে।
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই নিয়ম মেনে পুজো করলে শীতের প্রস্থান ও বসন্তের আগমন মঙ্গলময় হয়। জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে একইভাবে ত্যারেয়া পালিত হয়। কোথাও নদীতীরে জলবরণ, কোথাও গোরুকে স্নান করিয়ে প্রাচীন আচার স্মরণ করা হয়। বিশেষ করে গিলান্ডি নদী-র তীরে জলবরণের রীতি পালনের কথাও জানা গেছে।
advertisement
5/5
পুজো শেষে ‘রাখাল সেবা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বহু গ্রামে। মহিলা ও কিশোরীদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, তিন রাস্তার মোড়ে ‘ত্যারেয়া ফেলা’ এই আচারই উৎসবের মূল আকর্ষণ। শিমুল-পলাশে রাঙা বসন্তের আবেশে এই লোকউৎসব নতুন করে মনে করিয়ে দেয় উত্তরবঙ্গের শিকড়ে থাকা সংস্কৃতির কথা। ধুপগুড়িতে হওয়া এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়িকা মিতালী রায়। তিনি বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ আমাদের লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখে। এই উৎসব আরও ছড়িয়ে পড়ুক।” আধুনিকতার ভিড়েও উত্তরবঙ্গের গ্রামবাংলা আজও ত্যারেয়ার মতো প্রাচীন উৎসবকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে এটাই এখানকার সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় শক্তি।
পুজো শেষে ‘রাখাল সেবা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বহু গ্রামে। মহিলা ও কিশোরীদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, তিন রাস্তার মোড়ে ‘ত্যারেয়া ফেলা’ এই আচারই উৎসবের মূল আকর্ষণ। শিমুল-পলাশে রাঙা বসন্তের আবেশে এই লোকউৎসব নতুন করে মনে করিয়ে দেয় উত্তরবঙ্গের শিকড়ে থাকা সংস্কৃতির কথা। ধুপগুড়িতে হওয়া এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়িকা মিতালী রায়। তিনি বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ আমাদের লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখে। এই উৎসব আরও ছড়িয়ে পড়ুক।” আধুনিকতার ভিড়েও উত্তরবঙ্গের গ্রামবাংলা আজও ত্যারেয়ার মতো প্রাচীন উৎসবকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে এটাই এখানকার সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় শক্তি।
advertisement
advertisement
advertisement