জানা যায়, নেশাগ্রস্ত ও আহত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সাগর অস্থায়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ব্যক্তির নাম সুনীল পাণ্ডে। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতালের সরঞ্জামের উপর চড়াও হন। অক্সিজেন সিলিন্ডার, স্যালাইন বোতল কিছুই বাদ যায়নি তাঁর হাত থেকে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁকে বেঁধে চিকিৎসা শুরু করতে হয়। আহত পায়ের এক্স-রে করাতে গিয়ে চিকিৎসকরাও পড়েন বিপাকে। এই সময় জানা যায় একটি ছোট মেয়ে তাঁর বাবাকে হারিয়ে ফেলেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, হাসপাতালে ভর্তি ব্যক্তিই তার বাবা। অঞ্জনা একটি ফোন নম্বর বলে, সঙ্মেগে এও জানায় কুম্ভমেলার অগ্নিকাণ্ডে তার মা মারা যান। তার পর থেকে বাবাই তার একমাত্র আশ্রয় ও সম্বল।
advertisement
বাবা পুজোপাঠ ও রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। গঙ্গাসাগরে সে বাবার সঙ্গেই এসেছিল। এর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, নেশাগ্রস্ত বাবার সঙ্গে শিশুটিকে ছাড়া যাবে না। কিন্তু মেলা শেষ হলে অস্থায়ী হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাবে। তখন শিশুটির কী হবে? এই প্রশ্নে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সিএমওএইচ থেকে শুরু করে ডাক্তার,নার্স সবাই। এই সঙ্কটময় মুহূর্তে এগিয়ে আসে হ্যাম রেডিওর স্বেচ্ছাসেবক দল। মেয়েটির কথায় ভরসা করে “জিরো নম্বর রোড” সূত্র ধরে খোঁজ শুরু হয়। খুঁজে বার করা হয় বিহারের এক ব্যক্তিকে। এর পর প্রশাসন সমস্ত ব্যবস্থা করে। কুম্ভে মাকে হারালেও, সাগরে বাবাকে ফিরে পেয়ে খুশি অঞ্জনা।






