এই কারখানায় প্রায় ৩০ জন মহিলা ও পুরুষ একসঙ্গে আবির তৈরিতে ব্যস্ত। তার মধ্যে প্রায় ২৫ জন মহিলা এই কাজের মাধ্যমে স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন। আশেপাশের গ্রাম থেকে প্রকৃতির কোলে এসে তাঁরা তৈরি করছেন লাল, নীল, হলুদ, সবুজ, গেরুয়া, বেগুনি, গোলাপি-সহ মোট নয় রঙের আবির। রং, জল, কর্নফ্লাওয়ার ও বিভিন্ন ভেষজ উপাদান মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে এই পরিবেশবান্ধব রঙ।
advertisement
কারিগর অলকা বর্মন বললেন, “আমরা প্রায় তিন মাস ধরে দিনরাত পরিশ্রম করছি। ভেষজ উপাদান ব্যবহার করি বলে অনেক যত্ন নিয়ে রং তৈরি করতে হয়। দোলের সময় আমাদের তৈরি আবির মানুষ হাসিমুখে ব্যবহার করেন। এই ভাবনাটাই আমাদের শক্তি দেয়। এই কাজের টাকাতেই সংসার চলে, ছেলেমেয়ের পড়াশোনা হয়।”
অন্যদিকে কারিগর সরস্বতী দাস রায় জানালেন, “এবার পাহাড় থেকে বেশ ভাল অর্ডার এসেছে। দার্জিলিং, সিকিম, এমনকি গোহাটি ও অসমেও যাচ্ছে আমাদের তৈরি আবির। গত বছরের তুলনায় চাহিদা বেড়েছে। আশা করছি, এ বছর লাভও ভাল হবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুধু শিলিগুড়িতেই নয়, এই আবির পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বাইরেও। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় ভেষজ আবিরের চাহিদা এবার চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। পরিবেশবান্ধব ও ত্বক-নিরাপদ হওয়ায় ক্রেতাদের আস্থা বাড়ছে দিন দিন।
রঙের এই উৎসবের আগে ছোট ফাপড়ির কারখানায় তাই এখন ব্যস্ততার চূড়ান্ত ছবি। বসন্তের রঙ শুধু মুখে নয়, রঙ ছড়াচ্ছে বহু পরিবারের জীবনে। দোলের আবির যেন তাদের স্বপ্নকেও রাঙিয়ে তুলছে।





