মন্দিরে প্রবেশ করলেই যেন এক অদ্ভুত শান্তি নেমে আসে মনে। চারপাশের পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত ও মনোরম। দেবী যোগাদ্যার মূর্তিও অত্যন্ত আকর্ষণীয়, যা দর্শনার্থীদের সহজেই মুগ্ধ করে। মন্দির সংলগ্ন বিশালাকার দিঘিটিও এই স্থানের আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ। দিঘির স্বচ্ছ জলে থাকা মাছ দেখতে অনেকেই আলাদা করে সময় কাটান। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে ভোগ প্রসাদ গ্রহণ ও রাত্রিযাপনের সুব্যবস্থা রয়েছে। এখানে এসি ও নন এসি দু-ধরনের রুমই পাওয়া যায়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ দিনভর বাড়িতে চালান এসি, টিভি, ফ্রিজ, গিজার সবই! ১ টাকাও ইলেক্ট্রিক বিল আসবে না, মোক্ষম ট্রিক জানুন
তবে রুম বুকিং কিংবা ভোগ প্রসাদের জন্য আগে থেকেই যোগাযোগ করে নেওয়া আবশ্যক।যোগাযোগ নম্বর: ৯৭৩২২৩১০৯৫।যাতায়াতের দিক থেকেও যোগাদ্যা মন্দির অত্যন্ত সহজলভ্য। ক্ষীরগ্রাম অবস্থিত কাটোয়া–বর্ধমান রোডের কৈচর স্টপেজ থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে। বর্ধমান স্টেশন অথবা কাটোয়া স্টেশন থেকে ট্রেনে করে সহজেই কৈচর হল্টে পৌঁছানো যায়। এছাড়াও এই রুটে একাধিক বাস চলাচল করে।সব মিলিয়ে পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে, মানসিক শান্তি পেতে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে চাইলে ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা মন্দির হতে পারে এক আদর্শ গন্তব্য।





