স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাঙাডি গ্রামের বাসিন্দা তথা বিএসএফ জওয়ান বিজয় কুমার দীর্ঘক্ষণ রেল ফটকের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় দুই আরপিএফ কর্মী অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তার প্রতিবাদ করেন বিএসএফ জওয়ান বিজয় কুমার। এরপরেই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়।
advertisement
অভিযোগ, এই বচসাকে ঘিরে ওই আরপিএফ কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিজয় কুমারের উপর চড়াও হন এবং তাঁকে রেল ফটকের সামনে জনসমক্ষে মাটিতে ফেলে মারধর করেন। সেই মারধরের ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করেন স্থানীয় মানুষজন। মারধরের জেরে রক্তাক্ত হয়ে পড়েন বিজয় কুমার। খবর যায় বলরামপুর থানায়। খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলরামপুর থানার পুলিশ। আহত বিজয় কুমারকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় বাঁশগড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই বিষয়ে আহত বিএসএফ জওয়ানের বাবা মানিক কুমার জানান, এই দিন সকাল থেকেই দীর্ঘক্ষণ রেলগেট পড়ে থাকার কারণে বলরামপুর রেলগেটে সমস্যা হচ্ছিল। সেই সময় রেলগেটে বিজয়ও দাঁড়িয়েছিলেন। তখনই আরপিএফ কর্মীরা গালিগালাজ করায় তিনি প্রতিবাদ জানান। তাতেই তাঁর উপর চড়াও হন অভিযুক্তরা।
স্থানীয় এক বাসিন্দা উত্তম পাল জানান, এদিন রেলগেটে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সকলকে দীর্ঘক্ষণ রেলগেটে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছিল। সেই সময়ই মহিলাদের সামনে অশ্লীল গালিগালাজ করায় তার প্রতিবাদ করেন বিজয়বাবু। এর জেরেই তাঁর উপর চড়াও হন রেলের আরপিএফ কর্মীরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এমারজেন্সি রেলগেট লাগানোকে কেন্দ্র করেই এদিনের এই উত্তেজনার সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত দুই আরপিএফ কর্মীকে বলরামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।





