প্রতি নির্বাচনের আগে এই মন্দিরের প্রসঙ্গ আসে। আসে মন্দিরগুলির উন্নয়নের কথাও। কিন্তু সেভাবে উন্নয়ন করা হয় না। তার প্রধান কারণ হিসাবে রায়দিঘির বিধায়ক ড: অলক জলদাতা জানিয়েছেন, জটার দেউল কেন্দ্রীয় সরকারের এএসআই-এর হাতে। সেজন্য তাঁরা চাইলেও সেখানে কিছু করতে পারেন না। অপরদিকে, মা নারায়ণী মন্দিরে সেভাবে বাধা নেই। ফলে সেখানে তাঁরা উন্নয়ন করেছেন। এই সব মন্দিরগুলি প্রাণ ফিরে পাক চান তিনিও। তবে এই মন্দিরগুলি কোথায় আলাদা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ SIR তালিকায় নামের উপরে ‘অ্যাডজুডিকেশন’ স্ট্যাম্প, আতঙ্কে মহিলার চরম পদক্ষেপ, মালদহে বাড়ছে চাঞ্চল্য
জানা গিয়েছে জটার দেউল ইষ্টক নির্মিত এই দেব-দেউলটি আনুমানিক খ্রীষ্টীয় একাদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল। জটাধারী শিবের নামানানুসারে এটির নাম হয় জটার দেউল। এটির নকশার উপর ক্রুশাকার ও বক্ররেখা বা গঠিত শিকারাযুক্ত যা উত্তর ভারতের দেব দেউলে দেখা যায়। মন্দিরের আশপাশে কোথাও মাটি খোঁড়ার অনুমতি দিচ্ছে না ভারতীয় পুরাতত্ব সর্বেক্ষন সংস্থা। ফলে সেখানে উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। নলকূপ অথবা পর্যটকদের সুবিধার্থে নতুন কিছু নির্মাণ করা যাচ্ছে না, জানিয়েছেন রায়দিঘির বিধায়ক ড: অলক জলদাতা।
অলক জলদাতা বলেন, এই মন্দির সকলের গর্বের। মন্দির ঘিরে উন্নয়ন হোক, আরও পর্যটক আসুক এটাই চাই। তার জন্য সব পক্ষকেই এগিয়ে আসতে হবে। অন্যদিকে, নারায়ণী মন্দির প্রাঙ্গণে উন্নয়ন চলছে। তবে কেন্দ্র-রাজ্য দ্বৈরথে কী জটার দেউলের উন্নয়ন থমকে থাকবে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষজন, এখন দেখার কী হয় সেখানে…





