advertisement
বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূলের তরফে বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ হিসেবে তুলে ধরার প্রচার জোরদার হচ্ছে। শাসকদলের অভিযোগ, বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি, বিশেষ করে খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে খাপ খায় না এবং ক্ষমতায় এলে সেই সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে। মাছ ও মাংস—যা বাঙালির দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ—তা নিয়েই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু তৈরি হয়েছে।
এই দোকানে চা খেতে এলেই ছেড়ে যাবে ‘বদ’ নেশা! চোখের সামনে মৃত্যু দেখেই বড় সিদ্ধান্ত বিক্রেতার
‘এই কারণেই ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বিরোধীরা!’ মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে এ কী বললেন কাজল শেখ, আশিস?
এই বিতর্কের সূত্রপাত সাম্প্রতিক একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে। তৃণমূলের দাবি, বিহার সরকারের তরফে খোলা বাজারে মাংস বিক্রি নিয়ে একটি নিয়ন্ত্রণমূলক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যদিও সেই নির্দেশিকাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, এবং বিরোধীদের দাবি, এটি সাধারণ মানুষের জীবিকায় প্রভাব ফেলতে পারে।
পুরুলিয়ায় এক নির্বাচনী সভা থেকে এই প্রসঙ্গ তুলে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমি একটি রিপোর্টে দেখেছি, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বলেছেন খোলা বাজারে মাছ ও মাংস বিক্রি করা যাবে না। এটা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে এবং অত্যন্ত নিন্দনীয়।”
বিশ্বাসই হবে না! ভারতের এই ১০ আমের জন্য পাগল বিদেশ, চাহিদা আকাশছোঁয়া! কোন আম জেনে নিন!
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “সবাই কি শপিং মলে মাছ-মাংস বিক্রি করতে পারবে? যাঁরা রাস্তায় বসে মাছ বা মাংস বিক্রি করেন, তাঁদের জীবিকা কী হবে?” তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নীতি কার্যকর হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন মূলত ছোট ব্যবসায়ী ও খুচরো বিক্রেতারা, যাঁরা প্রতিদিনের উপার্জনের উপর নির্ভরশীল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলাতেও একই ধরনের বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তাঁর কথায়, “যাঁদের আর্থিক সামর্থ্য আছে, তাঁরাই শুধু লাইসেন্স নিয়ে ঘরের ভিতরে বিক্রি করতে পারবেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তো রাস্তাতেই মাছ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই রাজনীতি আমি তীব্রভাবে নিন্দা করি।”
সব মিলিয়ে, অমিত শাহের প্রস্তাবিত বঙ্গ সফরকে ঘিরে শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক তরজা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।
