একই সঙ্গে রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসনের আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে কমিশনের হুঁশিয়ারি, নির্বাচন পর্বে ফের কালিয়াচকের মতো ঘটনা ঘটলে এবার আর সাসপেন্ড অথবা বদলি নয়, অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ৩১১ ধারায় কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে৷কোনও সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৩১১ ধারা প্রয়োগ করে সরাসরি চাকরি থেকে বরখাস্ত, কম্পালসরি ওয়েটিংয়ের মতো শাস্তি হতে পারে৷
advertisement
প্রসঙ্গত, গতকাল মালদহ জেলার কালিয়াচক- ২ নম্বর ব্লকের সুজাপুর, মোথাবাড়ি-সহ একাধিক এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের মূল সংযোগকারী ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখেন। মোথাবাড়িতে কালিয়াচক- ২ নম্বর বিডিও অফিসের ভিতরে বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাও করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ৷
পরে গভীর রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ গিয়ে আটকে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারদের উদ্ধার করে৷ এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ মুখ্য নির্বাচন কমিশার জ্ঞানেশ কুমারও৷ নির্বাচন কমিশনের কড়া মনোভাবের পর কালিয়াচক কাণ্ডে মোথাবাড়ির আইএসএফ প্রার্থী সহ ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ কমিশন অবশ্য রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে কঠোর নির্দেশ দিয়ে বলেছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রত্যেককে গ্রেফতার করতে হবে৷
