৩৫ কর্মীর মধ্যে ২৬ জনকেই বিধানসভার কাজে নিয়ে নেয় কমিশন। হাইকোর্টে মামলা করে কমিশন। ফলে ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলায় ২০২৫ সালে নতুন করে যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে তাতে বাধা সৃষ্টি হবে না বলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার প্রশংসা বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর। গত ১ মার্চ স্কুল সার্ভিস কমিশনে কর্মরত ২৬ জন আধিকারিককে পোলিং অফিসারের কাজে নিযুক্তির চিঠি দেওয়া হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: মালদহে যে ঘটনা ঘটেছে, তার দায় নির্বাচন কমিশনেরই: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
বাধ্য হয়ে ২৫ মার্চ কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কারণ সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ মেনে ৩১ অগাস্টের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পুর্ণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবী। নির্বাচন কমিশন এদিন কলকাতা হাইকোর্টে জানিয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনে কর্মরত ২৬ জন আধিকারিককে নির্বাচনের কাজে নেওয়া হয়েছিল তাদেরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘এসআইআর করে ভোটের আগে সর্বনাশ করল’! সুতিতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ, অশান্তির আঁচও করলেন তৃণমূলনেত্রী
অতিরিক্ত জেলাশাসক (LR) ১ লা এপ্রিল জানিয়েছেন, তাঁদের পোলিং অফিসারের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপের পর এদিন মামলার নিষ্পত্তি করে দেন।
অর্ণব হাজরা
