বৃহস্পতিবার হাজরার কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে অমিত শাহ রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, বিজেপি এবার ১৭০-র বেশি আসন জিতবে বাংলায়। তাঁর কথায়, “একটা একটা করে আসন জিতব আমরা, আর সেই ভাবেই ১৭০-এ পৌঁছে যাব। তবেই পরিবর্তন আসবে। আমার কাছে একটা শর্টকাট আছে। ভবানীপুর জিতলেই পরিবর্তন নিজে থেকেই হয়ে যাবে।”
advertisement
শুভেন্দু অধিকারীকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার পিছনে যে গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে, তা এদিন কার্যত স্পষ্ট করে দেন অমিত শাহ। তিনি জানান, প্রথমে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়াইয়ের কথা ভাবছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু তাঁর পরামর্শেই ভবানীপুরে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। শাহের কথায়, “আমি বলেছিলাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়, মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। পুরো বাংলার পরিবর্তনের জন্য ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জেতাতে হবে।”
বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সুরে অমিত শাহ বলেন, “বাংলার মানুষ বলছে তৃণমূল টাটা বাই বাই। সারা বাংলার মুক্তির জন্য ভবানীপুর থেকে বিপুল ভোটে জেতাতে হবে”। মনোনয়ন দাখিলের জন্য ১০০০০ টাকার চালান জমা দেন শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী টিম। এবার ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রাম থেকেও বিধানসভা ভোটে লড়বেন শুভেন্দু অধিকারী। সব মিলিয়ে, ভবানীপুরকে কেন্দ্র করে বিজেপির আক্রমণাত্মক কৌশল এবং বড় লক্ষ্যের ইঙ্গিত স্পষ্ট করে দেন অমিত শাহ। এখন দেখার, ভোটের ময়দানে এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তব ফল পায়।
