জানানো হল, মৃত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত। ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া ডি এ পরিশোধের নির্দেশ। নমিনি বা আইনগত উত্তরাধিকারীরা আবেদন করতে পারবেন।
নির্দেশিকা জারির ১৮০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা বাধ্যতামূলক। নমিনি থাকলে সরাসরি তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা।নমিনি না থাকলে লিগ্যাল হেয়ারদের মধ্যে বণ্টন। DA বকেয়া হিসাব হবে HRMS ও WBIFMS সিস্টেমে। সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার।
advertisement
এনিয়ে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে সাহায্যের জন্য চালু হেল্পলাইন ও ইমেল পরিষেবা। ০৩৩ ২২৫৩৫৪১৭ হেল্পলাইন চালু করল নবান্ন মৃত কর্মীদের পরিবার এর জন্য। নির্দেশিকা জারি করে জানাল রাজ্যের অর্থ দফতর।
গত শুক্রবার থেকে সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আর দু’দিনের মধ্যে সবাই পুরো টাকা পেয়ে যাবেন। কীভাবে টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে যাবে? একনজরে দেখে নিন সেই প্রক্রিয়া। মহার্ঘ ভাতা এইচআরএমএসের মাধ্যমে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। ডিডিও (সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ইনচার্জ) ওই অ্যাকাউন্টটির দেখভালের দায়িত্বে। তিনি এরিয়ার/সাপ্লিমেন্টারি বিভাগে ঢুকবেন। দেখতে পাবেন টাস্কলিস্ট। সেখান থেকে বিল সামারিতে গিয়ে এরিয়ার/সাপ্লিমেন্টারি বিল জেনারেশনে গিয়ে বিল জেনারেট করবেন। তারপর জিপিএফ অ্যাকাউন্টে যাবে টাকা। আধিকারিকরা ইনস্টলমেন্ট ডিটেলস দেখতে পাবেন।
বকেয়া DA হিসেব করার পদ্ধতি– প্রথমেই নির্দিষ্ট সময়ের প্রতিটি মাসের জন্য সরকারি কর্মীদের বেসির পে বা মূল বেতন কত, তা জানতে হবে। ব্র্যান্ড পে ও গ্রেড পে যোগ করতে হবে। আপনি যে শতাংশ হারে ডিএ পেয়েছেন, আর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আপনার যা পাওয়ার কথা ছিল, তার মধ্যে পার্থক্য বার করতে হবে। প্রতি মাসের মূল বেতনের সঙ্গে ওই পার্থক্যের শতাংশ গুণ করতে হবে। এর পর সব মাসের বকেয়া বার করতে হবে। তার পর সব মাসের বকেয়া যোগ করলে মোট বকেয়ার পরিমাণ পাওয়া যাবে।
এর আগে নবান্ন থেকে জানানো হয়, ওই সময়ের বকেয়া মহার্ঘভাতা দু’দফায় দেওয়া হবে। প্রথম দফা দেওয়া হবে ২০২৬-এর ৩১ মার্চের মধ্যে। দ্বিতীয় দফা দেওয়া হবে সেপ্টেম্বরের মধ্যে। কিন্তু এখন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত, দু’দফায় নয়, একদফাতেই বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে।
