কিন্তু এই অতিরিক্ত ফলনই এখন চাষিদের কাছে আশীর্বাদের বদলে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম একেবারে তলানিতে নেমে এসেছে। বর্তমানে মাত্র ৫ টাকা কেজি দরে সজনে ডাটা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা, যা উৎপাদন খরচের অর্ধেকেরও কম বলে দাবি তাদের।
এলাকার বহু ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি জানিয়েছেন, সার, শ্রমিক, পরিবহন—সব মিলিয়ে যে খরচ হয়েছে, সেই তুলনায় এই দাম সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অনেকেই বাধ্য হয়ে ক্ষেতেই ফসল ফেলে রাখছেন বা কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন, যাতে অন্তত কিছু টাকা হাতে আসে। এমন পরিস্থিতিতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের।
advertisement
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাধারণত এই সজনে কিনে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু এ বছর অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে পাইকারি বাজারেও চাহিদা কমে গেছে। ফলে ব্যবসায়ীরাও বড় পরিমাণে সজনে কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এতে চাষিদের দুর্দশা আরও বেড়েছে। চাষিদের একাংশের মতে, যদি সংরক্ষণ ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ থাকত, তাহলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব হতো।





