এ বিষয়ে গবেষক দয়াময় রায় বলেন, মানভূমের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল এই পত্রিকা। বর্তমানে এই পত্রিকার ছাপাখানার ভগ্নদশা। তারা চাইছেন এই মুক্তি প্রেস সংরক্ষণ করা হোক সরকারিভাবে।
advertisement
এ বিষয়ে ঋষি নিবারণচন্দ্র দাসগুপ্তের পৌত্র তথা নাতি প্রসাদ দাশগুপ্ত বলেন, পৌরসভার কাছে তারা ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছেন মুক্তি প্রেসকে সংরক্ষণ করার। সরকারিভাবে যেন এগুলিকে অধিগ্রহণ করা হয়। তা না হলে এইভাবে ভগ্না দশায় পড়ে থাকলে তা গোটা মানভূমবাসীর কাছে লজ্জার।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মানভূমের অহিংসা স্বাধীনতা আন্দোলনের কাণ্ডারি ছিলেন ঋষি নিবারণ চন্দ্র দাশগুপ্ত। তারই তত্ত্বাবধানে চলত এই মুক্তি প্রেস। পত্রিকাটির মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ বিরোধী জনমত গড়ে তোলা এবং সমাজসেবা। তথাকালীন সময়ে মানভূমে জাতীয়তাবাদী চেতনা ও গান্ধিজির আদর্শ প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল এই পত্রিকা। এই পত্রিকার ১০০ বছর পরও তার ছাপাখানা ভঙ্গুর অবস্থায় পড়ে। সরকারের উদ্যোগে কবে এই মুক্তি প্রেস প্রাণ ফিরে পাবে তারই অপেক্ষায় দিন গুনছে মানভূমবাসী।





