TRENDING:

Mukti Patrika: ইতিহাসের পিঠস্থান, কান পাতলে আজও শোনা যায় স্বাধীনতার লড়াইয়ের সুর, ১০০ বছরেও জরাজীর্ণ 'মুক্তি'র ছাপাখানা! ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা

Last Updated:

Purulia Mukti Patrika: পুরুলিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলন ও মানভূম আন্দোলনের মুখপত্র 'মুক্তি' পত্রিকার ছাপাখানা আজ ধ্বংসের মুখে। শতবর্ষ পেরিয়েও নেই কোনও সংস্কারের উদ্যোগ। ঐতিহাসিক এই প্রেসকে সংরক্ষণের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিস্তারিত পড়ুন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পুরুলিয়া, শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি: মানভূমের স্বাধিনতা আন্দলনের অন্যতম অংশ মুক্তি পত্রিকা। বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই পত্রিকা। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে যাত্রা শুরু করেছিল মানভূমের অন্যতম প্রধান সাপ্তাহিক পত্রিকা মুক্তি পত্রিকা। ‌মানভূম জেলার স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রচারে এই পত্রিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এ-বছর এই মুক্তি পত্রিকার ১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ভগ্ন দশায় পড়ে রয়েছে মুক্তি পত্রিকার প্রেস তথা ছাপাখানা। যে মুক্তি পত্রিকা ছিল মানভূমবাসীর লড়াইয়ে সঙ্গী সেই পত্রিকার প্রকাশনাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহু বছর। এই পত্রিকার ছাপাখানার সংরক্ষণের দাবী জানিয়েছে জেলার বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ।
advertisement

এ বিষয়ে গবেষক দয়াময় রায় বলেন, মানভূমের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল এই পত্রিকা। বর্তমানে এই পত্রিকার ছাপাখানার ভগ্নদশা। তারা চাইছেন এই মুক্তি প্রেস সংরক্ষণ করা হোক সরকারিভাবে।

আরও পড়ুন: বামনগাছিতে হুলস্থুল! বিয়ের কথা বলে ডেকে উধাও প্রেমিককে ফিরে পেতে রেললাইনে শুয়ে পড়লেন প্রেমিকা, বোঝো কাণ্ড

advertisement

এ বিষয়ে ঋষি নিবারণচন্দ্র দাসগুপ্তের পৌত্র তথা নাতি প্রসাদ দাশগুপ্ত বলেন, পৌরসভার কাছে তারা ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছেন মুক্তি প্রেসকে সংরক্ষণ করার। সরকারিভাবে যেন এগুলিকে অধিগ্রহণ করা হয়।‌ তা না হলে এইভাবে ভগ্না দশায় পড়ে থাকলে তা গোটা মানভূমবাসীর কাছে লজ্জার।

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
কাপড়ের উপর শিল্পীদের অভিনব হাতের কাজ! পুরুলিয়ার মুখোশ গ্রামের নতুন ট্রেন্ড কাপড়ের মুখোশ
আরও দেখুন

মানভূমের অহিংসা স্বাধীনতা আন্দোলনের কাণ্ডারি ছিলেন ঋষি নিবারণ চন্দ্র দাশগুপ্ত। ‌তারই তত্ত্বাবধানে চলত এই মুক্তি প্রেস। পত্রিকাটির মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ বিরোধী জনমত গড়ে তোলা এবং সমাজসেবা। তথাকালীন সময়ে মানভূমে জাতীয়তাবাদী চেতনা ও গান্ধিজির আদর্শ প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল এই পত্রিকা। এই পত্রিকার ১০০ বছর পরও তার ছাপাখানা ভঙ্গুর অবস্থায় পড়ে। সরকারের উদ্যোগে কবে এই মুক্তি প্রেস প্রাণ ফিরে পাবে তারই অপেক্ষায় দিন গুনছে মানভূমবাসী।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Mukti Patrika: ইতিহাসের পিঠস্থান, কান পাতলে আজও শোনা যায় স্বাধীনতার লড়াইয়ের সুর, ১০০ বছরেও জরাজীর্ণ 'মুক্তি'র ছাপাখানা! ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল