TRENDING:

দুর্গাপুজোর সময় আচমকাই...! বর্ধমানের সঞ্চিতার জীবনযুদ্ধ শুরু হয়েছিল সেদিন, অচিরেই যা হয়েছিল সাফল্যের রূপকথা

Last Updated:

ইচ্ছাশক্তি থাকলে নীরবতা কোন বাধা হতে পারে না,সমাজের কটুক্তিকে পিছনে ফেলে আজ সঞ্চিতা নীরবতার ভাষাতেই লিখছেন এক নতুন সাফল্যের উপাখ্যান।জন্ম থেকেই তিনি বাক ও শ্রবণশক্তিহীন, কিন্তু তাঁর এই শারীরিক সীমাবদ্ধতা দমিয়ে রাখতে পারেনি তাঁর অদম্য জেদকে। 

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পূর্ব বর্ধমান: ইচ্ছাশক্তি থাকলে নীরবতা কোনও বাধা হতে পারে না, সমাজের কটুক্তিকে পিছনে ফেলে আজ সঞ্চিতা নীরবতার ভাষাতেই লিখছেন এক নতুন সাফল্যের উপাখ্যান। জন্ম থেকেই তিনি বাক ও শ্রবণশক্তিহীন, কিন্তু তাঁর এই শারীরিক সীমাবদ্ধতা দমিয়ে রাখতে পারেনি তাঁর অদম্য জেদকে। সমাজের নানা কটুক্তির জবাব দিয়ে সকলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সমান তালে কাজ করে চলেছেন তিনি।
advertisement

বর্ধমান শহরের পারাপুকুর এলাকার বাসিন্দা সঞ্চিতা সেন। মা,বাবা,ভাইকে নিয়ে ছোট্ট পরিবার তার। মা মিঠু সেন গৃহবধূ এবং বাবা প্রসেনজিৎ সেন কলকাতা থেকে জিনিসপত্র এনে সরবরাহ করেন দোকানে দোকানে। ভাই সদ্য কলেজ পাশ করেছে। আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে ছোট থেকে বড় হয়ে ওঠা তার।

আরও পড়ুন: মৃতসঞ্জীবনী সমান এই ‘মাছ’…! হার্ট অ্যাটাক রোধক, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ঠাসা, কমায় ওজন থেকে ক্যানসার ঝুঁকি, বাজারে গেলেই আগে খুঁজুন!

advertisement

জন্মগতভাবে বাক ও শ্রবণশক্তিহীন হলেও, কোন বাধাই আটকে রাখতে পারেনি তাঁকে। আজ সঞ্চিতা একটি বহুজাতিক সংস্থার শপিং মলে প্রতিদিনই নানা চ্যালেঞ্জকে উপেক্ষা করে নিজের ছন্দে, সহকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে চলেছে। মুখে কথা না বলেও যেন সবাক সে। ইশারা আর অমলিন হাসিতেই তিনি জয় করে নিয়েছেন সহকর্মী ও ক্রেতাদের মন। সমাজের ভ্রুকুটি আর শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে তুচ্ছ করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে হাল ধরেছে পরিবারের।

advertisement

View More

আরও পড়ুন: ইরানে লিটার প্রতি ‘পেট্রোলের’ দাম কত জানেন…? চমকাবেন ‘রেট’ শুনলেই, গ্যারান্টি!

সঞ্চিতার জীবনসংগ্রাম শুরু হয়েছিল জন্মের ঠিক দুদিন পর থেকেই। মারাত্মক জন্ডিস এবং পরবর্তীতে স্নায়ুর সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ায় স্বাভাবিক শিশুদের মতো বৃদ্ধি হয়নি তাঁর। ছয় মাস বয়সেও সে এক মাসের বাচ্চাদের মতোই থাকত। বসতে পারলেও ঠিক করে হাঁটাচলা করতে পারত না সঞ্চিতা। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে সেই বাধা কাটলেও বড় ধাক্কাটি আসে এক পুজোর সময়।

advertisement

হঠাৎ তার মা-বাবা লক্ষ্য করেন বাজির আওয়াজ শুনে অন্যান্য বাচ্চারা ভয় পেলেও সঞ্চিতা কোনও প্রতিক্রিয়া করছে না, এমনকি মা ছাড়া কোনও কথাই বলে না সে। চিকিৎসকের কাছে গেলে তারা জানতে পারেন সঞ্চিতা কানে শুনতে ও কথা বলতে পারে না।এরপরই তাকে ভর্তি করা হয় ড: শৈলেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় মূক ও বধির বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে সে। এরপর ওপেন ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হলেও, পায় এক বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ। আর সেই বিশেষ প্রশিক্ষণই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

advertisement

তবে শুধু সঞ্চিতই নয় শারীরিক বাধাকে উপেক্ষা করে এই বহুজাতিক সংস্থার শপিংমলে তাঁর মতোই সকলের সঙ্গে পাল্লা কাজ করে চলেছেন কৌশিক রানা। জানা যায়, ওই বহুজাতিক সংস্থার প্রতিটি শপিংমলেই দুজন করে বিশেষভাবে সক্ষমকে দেওয়া হয় কাজের সুযোগ।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বিদ্যালয়ে চরম দুরাবস্থা! নেই পানীয় জল ও চলাচল যোগ্য রাস্তা, সমাধানের আশ্বাস পঞ্চায়েতের
আরও দেখুন

সায়নী সরকার

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/পূর্ব বর্ধমান/
দুর্গাপুজোর সময় আচমকাই...! বর্ধমানের সঞ্চিতার জীবনযুদ্ধ শুরু হয়েছিল সেদিন, অচিরেই যা হয়েছিল সাফল্যের রূপকথা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল