শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ জানান, যারা অনলাইনের মাধ্যমে বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন, সেই আবেদনকারীদের ডেকে পাঠিয়ে তাদের নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের বাড়ির দলিল, পর্চা সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথির জেরক্স জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যে জায়গায় বাড়ি নির্মাণ হবে, সেই স্থানে দাঁড়িয়ে আবেদনকারীর ছবি তুলে তা প্রমাণ হিসেবে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পৌরসভার ১ নম্বর থেকে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সমস্ত আবেদনকারীদেরই এই প্রক্রিয়ার মধ্যে আনা হয়েছে।
advertisement
পৌরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে শান্তিপুর পৌরসভা এলাকায় প্রায় ৩৩০০ জন আবেদনকারী অনলাইনে ঘরের জন্য আবেদন করেছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকের আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারি নির্দেশিকা ও নির্ধারিত গাইডলাইনের ভিত্তিতে যারা প্রকল্পের আওতায় পড়বেন, তারাই ঘর পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
চেয়ারম্যান আরও জানান, এই প্রকল্পে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার উভয়েই অর্থ সাহায্য প্রদান করে। একটি ঘর তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পাশাপাশি উপভোক্তাকে নিজস্বভাবে ২৫ হাজার টাকা দিতে হয়। সব মিলিয়ে একটি ঘর তৈরির জন্য মোট প্রায় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়।





