অবশেষে কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাটে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে তামান্নার মা তথা সিপিআইএমের এ বছরের প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন খাতুন। কালীগঞ্জ থেকে বামফ্রন্ট সরকার এবার তাঁকে দিয়েছে টিকিট। প্রথমদিকে বেশ কিছুটা গন্ডগোল হলেও পরে ধীরে ধীরে সকলেই তাঁকে প্রার্থী হিসেবে মেনে নিয়েছেন। এখন তিনি ব্যস্ত প্রচারে। সামনেই নমিনেশন জমা দেওয়ার দিন। কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করছেন তিনি।
advertisement
সাবিনা ইয়াসমিন জানান, “এখন খুব ভাল লাগছে। মানুষের দুয়ারে দুয়ারে যেতে পারছি মানুষ তার সমস্যা আমাকে বলতে পারছে আমি মানুষের সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব।” এছাড়াও তারই বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী আলিফা আহমেদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আমি আলিফাকে দেখছি। উনি আমার মেয়েকে মেরেছেন, তবুও উনি একটি বারের জন্য যাননি, সহানুভূতি দেখাননি। তাই আমার রাগ শুধু ওনার উপরে।”
নদিয়া জেলার কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে একটি বিশেষ প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। এই কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবিনা ইয়াসমিন। উপনির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় মিছিলে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় তার মেয়ে তামান্নার মৃত্যু হয়, যা এলাকায় বেশ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।
আরও পড়ুন: তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর তৃণমূলের সাক্ষাৎ-অনুরোধ প্রত্যাখ্যান, কারণ কী?
বর্তমানে সাবিনা ইয়াসমিন এলাকায় জনসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেখা করা, তাদের সমস্যার কথা শোনা এবং নিজের বক্তব্য তুলে ধরা এই সবকিছু মিলিয়ে তাঁর প্রচার কর্মসূচি এগোচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের একাংশের মানুষের সমর্থন তিনি পাচ্ছেন বলে জানা যাচ্ছে, যদিও নির্বাচনী পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল।
পুরো বিষয়টি এখন রাজনৈতিক ও সামাজিক দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের ফলাফলই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে এই প্রেক্ষাপটের ভবিষ্যৎ প্রভাব।





