লালগোলা ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দেওয়ানসরাই গৌরীদাসপুর মৌজা–র মোট ২৬টি পরিবারের মধ্যে ২৩টি পরিবার পাট্টা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কাত্তিকপুর মৌজা এলাকায় ২১টি পরিবার পাট্টা পায়। কালমেঘা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কালমেঘা মৌজার হোসনাবাদ এলাকায় ২৮টি পরিবারকে পাট্টা হাতে দিয়ে জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছেন। বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার এই পরিবারগুলি ত্রিপল ও অস্থায়ী ঘরে বসবাস করছিলেন। পাট্টা হাতে পাওয়ার পর বহু মানুষের মুখে হাসি দেখা যায়। তাঁদের দাবি, এখন অন্তত স্থায়ীভাবে বসবাসের একটি নিরাপদ জায়গা পাওয়ার আশ্বাস মিলল।
advertisement
এক পাট্টা প্রাপক বলেন, “নদী আমাদের সব নিয়ে গেছে। আজ সরকার জমির কাগজ দিয়েছে, মনে হচ্ছে আবার নতুন করে বাঁচার সুযোগ পেলাম।” আবার কেউ পাট্টা পেয়ে অসন্তুষ্ট। তারা বলেন তাদের নদীতে জায়গা দিয়েছে এই জায়গা বসবাসের উপযোগী নয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৩৪টি পরিবারকে পাট্টা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রথম দফায় ৫৪টি পরিবারকে জমির প্রথমে পাট্টা দেওয়া হয়। পরে আরও বাকিদের দেওয়া হয়েছে পাট্টা। এখনও পর্যন্ত ১২৩টি পরিবার পাট্টা পেয়েছেন দু’শতক করে। পাট্টা পাওয়ার ফলে ওই পরিবারগুলি এবার বাংলার আবাস যোজনার আওতায় পাকা ঘর নির্মাণ করতে পারবেন। দীর্ঘদিনের উদ্বাস্তু জীবনের অবসান ঘটতে চলেছে বলেই মনে করছেন উপকৃত পরিবারগুলি।





