পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের উদ্যোগে আয়োজিত এই দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মোট নয়টি জেলার আদিবাসী নাট্যদল অংশগ্রহণ করে। সাঁওতালি ভাষায় পরিবেশিত নাটকগুলিতে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয় বাল্যবিবাহ রোধ, নারী পাচার প্রতিরোধ, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা।
advertisement
সাঁওতালি নাট্য প্রতিযোগিতা
আজও বহু আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষা ও সচেতনতার অভাবে বাল্যবিবাহ, নারী পাচার-সহ একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে চলেছে। সেই প্রেক্ষিতেই স্থানীয় ভাষায় নাটকের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আয়োজকরা। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের প্রকল্প আধিকারিক চৈতালি দত্ত জানান, “মাতৃভাষায় পরিবেশিত নাটক সহজে মানুষের মনে দাগ কাটে এবং বার্তা গ্রহণযোগ্যতাও বাড়ায়। কীভাবে বাল্যবিবাহ রোধ ও নারী পাচার প্রতিরোধ করা যায় এবং এ ক্ষেত্রে কী কী করণীয়, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয় সাঁওতালি ভাষায় পরিবেশিত নাটকের মাধ্যমে।”
নাটকে অংশগ্রহণকারী এক নাট্যশিল্পী গোপিরাম সরেন জানান, “শুধু সামাজিক বার্তাই নয়, আদিবাসী সমাজের বর্তমান জীবনযাপন, নিত্যদিনের প্রয়োজনীয়তা এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির বিভিন্ন দিকও এই মঞ্চে তুলে ধরা হয়েছে। নিজ ভাষায় এত বড় মঞ্চ থেকে সমাজের উদ্দেশ্যে বার্তা তুলে ধরতে পেরে খুব ভাল লাগছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সামাজিক সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে সংস্কৃতির মাধ্যমকে কাজে লাগানোর এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে উপস্থিত দর্শক ও সংস্কৃতি মহলে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে নাট্যচর্চার মাধ্যমে এমন সামাজিক বার্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে অভিমত অনেকের।





