মালদহের গাজোল থানার খড়দহিল এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইয়াসিন আনসারীরা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন পুত্র সন্তানকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী একটি টোটোতে করে নামের বানান ভুলের জন্য শুনানিকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে ইংরেজবাজার থানার সুস্থানি মোড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে টোটো উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হালিমার। আহত শিশু সন্তানকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ঘাস কাটার সময় আচমকা বাইসনের হামলা! শিংয়ের গুঁতোয় মৃত্যু মহিলার, ভয়ে কাঁপছে গোটা এলাকা
মৃতের এক আত্মীয় আব্দুর রহমান আনসারী জানান, ইয়াসিন আনসারী কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই পরিবার নিয়ে সুজাপুরে বসবাস করছিলেন। নামের বানান ভুলের কারণে এদিন শুনানিতে হাজির হওয়ার কথা ছিল শিক্ষক ও তাঁর স্ত্রীর। সেই কারণেই পরিবার নিয়ে রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পথে ঘটে যায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিবারের সদস্যদের দাবি, এমন চরম শোকের মধ্যেও প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতার কারণে স্ত্রী ও শিশুপুত্রের দেহ মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ময়নাতদন্ত বিভাগে রেখে শুনানিকেন্দ্রে যেতে বাধ্য হন আহত শিক্ষক স্বামী। এই ঘটনায় পরিবার সহ গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এক মুহূর্তে ভেঙে পড়েছে একটি সুখী পরিবার।






