রাজপ্রাসাদ, মিনার, প্রবেশদ্বার, প্রাচীর ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনার মতোই অন্যতম ছিল গৌড়ের রাজধানী ঘেরা দুর্গ। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মালদহের সাদুল্লাপুর এলাকায় অবস্থিত দুর্গ, যা স্থানীয়দের কাছে ‘গড়’ নামে পরিচিত। এলাকাবাসীদের মতে, শতাব্দী প্রাচীন এই গড়। রাজার আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়েছে এই উঁচু স্থান।
advertisement
পুলক সরকার নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই উঁচু জায়গাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। শুনেছি গৌড় শাসনকালে নির্মিত হয়েছিল এই গড়। তবে বর্তমানে মাটি কেটে বিলুপ্তপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। প্রশাসন নজর দিলে হয়তো রক্ষণাবেক্ষণ করা যেত।”
অজয় মণ্ডল নামে স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জানান, “এই স্থানটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। কয়েক বছর আগে সেনাবাহিনীদের ট্রেনিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হত। তবে বর্তমানে অনেকটাই মাটি কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে এর উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এদিকে এই প্রসঙ্গে ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাজেশ পাল জানান, “ঐতিহাসিক নিদর্শন মুঝে ফেলা কোনও রকমভাবে কাম্য নয়। স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।” বর্তমানে কিছুটা অংশ উঁচু ভাবে দাঁড়িয়ে থাকলেও অধিকাংশ মাটি কেটে বিলুপ্তপ্রায় এই গড়। প্রাচীন বাংলার ঐতিহাসিক নিদর্শন বাঁচাতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রক্ষণাবেক্ষণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় থেকে শুরু করে ইতিহাস গবেষকরা।





