পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী হস্তক্ষেপ করে এবং মধ্যরাতে অভিযানে নেমে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। তবে উদ্ধার অভিযানের সময় বিক্ষোভকারীদের তরফে গাড়িতে হামলা ও রাস্তায় বাঁশ ফেলে বাধা দেওয়ার মত ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। কড়া পদক্ষেপের নির্দেশের পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে। ইতিমধ্যেই এনআইএ-র দল মালদহে পৌঁছে প্রথমে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে গিয়ে ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে এবং বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে। এরপর হামলার অন্যান্য স্থানেও গিয়ে তদন্ত চালানো হয়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ এগুলিই অটিজমের প্রাথমিক লক্ষণ! সন্তানের আচরণে কোন পরিবর্তন সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ
মোথাবাড়ি থানায় সাংবাদিক বৈঠকে এটিজি উত্তরবঙ্গ কে জয়রামন জানান, “ঘটনায় এনআইএ কে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় মোট ১৯টি মামলা রুজু হয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে এবং চূড়ান্ত রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে।” এই ঘটনার পর এখনও এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি রয়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা মোহাম্মদ দুলু শেখ বলেন, “এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক তবে আমরা চাইব শান্তি বজায় থাকুক।” বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও উত্তেজনার রেশ রয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি জারি রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, তার জন্য প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।





