মঙ্গলবার আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ শিবিরে লিফট অপারেটরদের পাশাপাশি নিরাপত্তাকর্মীরাও অংশ নেন। মূলত, লিফটে কেউ আটকে পড়লে কীভাবে দ্রুত এবং নিরাপদে উদ্ধার করতে হবে, সেই বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি জরুরি অবস্থায় কীভাবে সঠিকভাবে যোগাযোগ রাখতে হবে, তা নিয়েও বিস্তারিতভাবে বোঝানো হয়।
আরও পড়ুন: দুবরাজপুরে দুঃসাহসিক চুরি! নবদ্বীপ থেকে আনা অষ্টধাতুর গোপাল মূর্তি-স্বর্ণালংকার লোপাট
advertisement
এই প্রশিক্ষণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ও তুলে ধরা হয়। যেমন—লিফট হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে অযথা সব বোতাম না চেপে শান্ত থাকা, ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম বা কল বটন ব্যবহার করা, জোর করে দরজা খোলার চেষ্টা না করা এবং লিফটের ভেতরে আতঙ্ক ছড়ানো থেকে বিরত থাকা। একইভাবে উদ্ধারকারী দলকে দ্রুত খবর দেওয়া এবং সঠিক পদ্ধতিতে উদ্ধার কাজ চালানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, “এই ধরনের প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্যই হল যে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে আতঙ্ক না ছড়িয়ে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের কর্মীদের সবসময় প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।” পিডব্লিউডি বিভাগের সহযোগিতায় এই মহড়ার মাধ্যমে বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণও করা হয়। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়মিতভাবে চালানো হবে, যাতে হাসপাতালের প্রতিটি পরিষেবা আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তোলাই এখন হাসপাতাল প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।





