আরও পড়ুন: রাজ্যের IAS, IPS-দের স্থানান্তর নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিল হাই কোর্ট
প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই জোড়কদমে শুরু হয়েছে প্রচার কার্যক্রম। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে টানা প্রচারে অংশ নিচ্ছেন অশোক ভট্টাচার্য। বয়সের ভার কিছুটা থাকলেও দলের প্রতি আনুগত্য এবং রাজনৈতিক উদ্দীপনা এখনও অটুট। বিশেষ করে নতুন প্রার্থী শরদিন্দু চক্রবর্তীর পাশে থেকে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন, যাতে নবীন মুখ সফলভাবে ভোটযুদ্ধ পরিচালনা করতে পারে।
advertisement
প্রচারের মাঝেই নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে অশোক ভট্টাচার্য বলেন, “শরদিন্দুকে আলাদা করে কিছু শেখাতে হচ্ছে না, বরং উল্টে শরদিন্দুই অনেক নতুন বিষয় শেখাচ্ছেন”। তিনি আরও বলেন, “শরদিন্দু অত্যন্ত ভালো মানুষ এবং একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সুন্দরভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। মানুষের কাছে সর্বদা পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলেই সাধারণ মানুষের ভালোবাসাও পাচ্ছেন তিনি”।
আরও পড়ুন: আজই কি প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ? কী জানাচ্ছে নির্বাচন কমিশন
প্রচারের প্রতিটি মুহূর্তে দেখা যাচ্ছে অশোক ভট্টাচার্য সরাসরি রাস্তায় নেমে কাজ করছেন। দেওয়াল লিখন, লিফলেট বিতরণ থেকে শুরু করে জনসংযোগ— সবেতেই তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। অনেক ওয়ার্ডে পায়ে হেঁটে প্রচার করতে দেখা যাচ্ছে তাকে, যা দলের কর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করছে।
অন্য দিকে, শরদিন্দু চক্রবর্তী বলেন, “অশোক ভট্টাচার্য তাঁর সঙ্গে থাকায় প্রচার আরও গতি পাচ্ছে। প্রতিদিনই তিনি অনেক কিছু শিখতে পারছেন, কারণ অশোক ভট্টাচার্য একসময়ের পাঁচবারের বিধায়ক। তাঁর অভিজ্ঞতা ও গাইডেন্স পাওয়া বড় অ্যাডভান্টেজ, যার ফলে প্রচার-প্রসার অনেক বেশি কার্যকর হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন”।
শিলিগুড়ির রাজনৈতিক ময়দানে এবার নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। নবীন প্রার্থী প্রথমবারের ভোট লড়াইয়ে প্রবেশ করলেও, তাঁর পাশে থাকা প্রবীণ নেতার অভিজ্ঞতা তাকে জিততে সাহায্য করবে—এটাই এখন দলের আশাবাদ। ভোটের মঞ্চে এই প্রজন্ম ও অভিজ্ঞতার মিল কতটা কার্যকর হবে, তা সামনে সময়ই বলবে।





