এই ল্যাবের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা এখন সহজেই বিশ্বের সর্বশেষ প্রযুক্তি, তথ্য ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবে। শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবমুখী গবেষণা, ডেটা অ্যানালিটিক্স, মেশিন লার্নিং ও AI-ভিত্তিক কাজ করার সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা।
advertisement
কলেজের প্রিন্সিপাল অমিতাভ রায় জানান, উত্তরবঙ্গে এই প্রথম এমন ধরনের অত্যাধুনিক ল্যাব তৈরি হল। তাঁর কথায়, “বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পড়ুয়াদের প্রস্তুত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই ল্যাব ভবিষ্যতে ছাত্রছাত্রীদের বড় ভূমিকা নিতে সাহায্য করবে।”
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই ল্যাব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন কলেজের প্রাক্তনী ছাত্রছাত্রীরা। প্রায় ৫৫০-রও বেশি প্রাক্তনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন। প্রায় ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই ল্যাব তৈরি করা হয়েছে। এই কলেজের বহু প্রাক্তনী বর্তমানে চন্দ্রযান-৩-এর মতো দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে যুক্ত রয়েছেন, অনেকে আবার দেশের বাইরে বিভিন্ন নামী প্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতাই এই ল্যাবকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সুভাষ বর্মন জানান, এই ল্যাবের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা গোটা বিশ্বের ডেটা ও গবেষণার রিসোর্স হাতের মুঠোয় পাবে, যা তাঁদের চিন্তাভাবনা ও গবেষণাকে আরও আধুনিক করে তুলবে। এই উদ্যোগকে ঘিরে পড়ুয়াদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, শিক্ষা ও প্রযুক্তির সুন্দর মেলবন্ধনে জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ যে নতুন দিশা দেখাল, তা নিঃসন্দেহে উত্তরবঙ্গের শিক্ষাক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।





