জানা গিয়েছে, এই উৎসব প্রথম সূচনা করেছিলেন অদ্বৈত আচার্য, এবং সেই উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভু। তিনি শান্তিপুরে সেদিনকে অবস্থানও করেছিলেন।তাই তিনি এই উৎসব প্রসঙ্গে বরদান করে বলেছিলেন, এই উৎসবে যে সমস্ত ভক্তরা এসে প্রসাদ গ্রহণ করবে ,তারা গোবিন্দ প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে উঠবেন। ভাগবত অনুসারে আজকের এই বিশেষ তিথিতে কোনও ব্যক্তি অদ্বৈত পাঠে বসে প্রসাদ গ্রহণ করলেই তিনি গোবিন্দ প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে উঠবেন। যদিও এই অনুষ্ঠান অদ্বৈত পাঠ পরিচালন কমিটির সঙ্গে মিলে পরিচালনা করে ইসকন মায়াপুর।
advertisement
মায়াপুর ইসকনের একাধিক ভক্তবৃন্দ উপস্থিত হয় এ দিনের এই উৎসবে। বহু বিদেশি পর্যটক এদিন উপস্থিত হয়েছেন অদৈত্য পাঠ অঙ্গনে করছেন নিজে হাতে প্রসাদ বিতরণ, চলছে হরে কৃষ্ণনাম গান। যদিও এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকা তথা রাজ্যের বহু প্রান্ত থেকে ভক্তগণের জমায়েত হয়েছে এই অদ্বৈত পাঠে। যদিও ইসকন সূত্রে খবর, ৫০ হাজার ভক্তের জন্য খিচুড়ি, তরকারি আলুর দম এবং চাটনি পায়েস প্রসাদের ব্যবস্থা করেছে ইসকন। রাত আট’টা পর্যন্ত চলবে প্রসাদ বিতরণ। তার সঙ্গে চলবে অদ্বৈত আচার্য এবং মাধবেন্দ্রপুরীপাদের এবং চৈতন্যদেবের বিশেষ পুজো ,আরতি এবং ভাগবত পাঠ। এদিন এই অনুষ্ঠানে এসে বিদেশি ভক্তরা জানান, তারা অত্যন্ত খুশি এরকম এক সুন্দর মনোরম পরিবেশে এসে কৃষ্ণ নাম জপ করতে পেরে।
আরও পড়ুনঃ খুব কম বাজেটে দোলে প্রচুর ‘মস্তি’, বীরভূমের ‘এই’ কয়েকটি জায়গা সেরা ঠিকানা, ঘুরে আসুন
তবে এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা অদ্বৈত আচার্যের বংশধর ব্রজ কিশোর গোস্বামী। তিনি জানান, “এ দিনের এই অনুষ্ঠান বহু বছর ধরে হয়ে আসছে। মানুষ এখানে এসে নাম গানে মত্ত হয়ে প্রসাদ গ্রহণ করে। কারণ এখানে প্রসাদ গ্রহণ করলে গোবিন্দ ভাব জাগ্রত হয় মানুষ।” এই উৎসবকে কেন্দ্র করে রানাঘাট পুলিশ জেলা বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর ৫০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে মেলা চত্বরে। যদিও আজকের এই অনুষ্ঠানে সরেজমিনে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট পুলিশ জেলা সার্কেল ইন্সপেক্টর কাজল ব্যানার্জি-সহ বহু পুলিশ আধিকারিক।





