আহত মৎস্যজীবীর নাম নিখিল মণ্ডল। তার বাড়ি হেমনগর কোস্টাল থানার শামসেরনগর এলাকায়। জানা গিয়েছে, নিখিল-সহ মোট ছ’জন মৎস্যজীবী দু’টি নৌকা নিয়ে তিন দিন আগে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন। আর সেখানেই বাঘের মুখে পড়েন নিখল। জীবিকার টানে যমের দুয়ার থেকে ফিরলেন মৎস্যজীবী।
advertisement
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিখিলের সঙ্গী গোবিন্দ মণ্ডলের বর্ণনা অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যার ঠিক আগে বড়িতলা জঙ্গলের একটি খাড়ি থেকে বেরোনোর সময় নদীর ধারে দু’টি বাঘের শাবক ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। আলো কম থাকায় প্রথমে বিষয়টি স্পষ্ট বোঝা যায়নি। ঠিক সেই সময়ই আচমকা একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘ নৌকার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নিখিলের উপর আক্রমণ চালায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিস্থিতি বুঝে দেরি না করে গোবিন্দ বাঁশ দিয়ে বাঘটিকে আঘাত করেন। তাতে বাঘটি কিছুটা সরে গেলে নিখিল নৌকা থেকে জলে পড়ে যান। কিন্তু তাতেও বিপদ কাটেনি। বাঘটি নৌকা থেকে নেমে আবারও নিখিলের দিকে তেড়ে আসে। তখন অন্য সঙ্গীরাও লাঠি নিয়ে চিৎকার করতে করতে বাঘের দিকে এগিয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত বাঘটি তার দুই শাবককে নিয়ে জঙ্গলের ভিতরে সরে যায়।
এরপর দ্রুত জখম নিখিলকে উদ্ধার করে প্রথমে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে যোগেশগঞ্জ হাসপাতাল হয়ে বসিরহাট হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা এখনও সঙ্কটজনক। এই ঘটনায় আবারও সুন্দরবনে জীবিকা নির্বাহ করতে যাওয়া মৎস্যজীবীদের জীবন ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এল।






