বিহু, যা অসমের অন্যতম প্রধান লোকনৃত্য, মূলত বসন্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে উদযাপিত হয়। সেই বসন্তের আমেজই যেন ছড়িয়ে পড়েছে বাঁকুড়ার এই কর্মশালায়। পল্লবীর হাত ধরে অংশগ্রহণকারীরা শিখছেন বিহুর সূক্ষ্ম তালের ব্যবহার, দেহভঙ্গি এবং আবেগের প্রকাশ। শুধু নাচ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কথাও তিনি তুলে ধরছেন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।
advertisement
পল্লবী বরোহ দত্ত জানান, “এই সুযোগ পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। বিহু এখন গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে। নাচের জন্য শারীরিকভাবে ফিট থাকা খুবই জরুরি। বাঁকুড়ায় এসে খুব ভাল লাগছে, এখানকার মানুষ আমাকে আপন করে নিয়েছেন।”
তাঁর এই আন্তরিকতা এবং প্রাণবন্ত প্রশিক্ষণ পদ্ধতি কর্মশালায় নতুন উদ্দীপনা এনে দিয়েছে।
এই কর্মশালার আয়োজন করেছে বাঁকুড়ার পরিচিত আগামী ড্যান্স অ্যাকাডেমি, যার পরিচালনায় রয়েছেন অধ্যক্ষ অনির্বাণ দাস। শুধু বাঁকুড়া নয়, দূরবর্তী এলাকা থেকেও অংশগ্রহণকারীরা এসেছেন এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে। মেদিনীপুর শহর থেকে নিজের সন্তানকে নিয়ে এসেছেন মা মহামায়া চক্রবর্তী। এমন উদ্যোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পথ খুলে দিয়েছে।
নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়





