জানা গিয়েছে,গত কাল রাতে সুদীপ্ত বাগ এলাকায় দলীয় পতাকা টাঙানোর কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ,সেই সময় পথে কয়েকজন বিজেপি কর্মীর সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি শুরু হয়।বচসা চলাকালীন আচমকাই বিজেপি কর্মীরা সুদীপ্তবাবুর ওপর চড়াও হয় এবং তাঁকে মারধর করে বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল অথবা নিছকই কোনো ব্যক্তিগত বিবাদ। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগ নেই এবং বিজেপি কর্মীদের মিথ্যে দোষারোপ করা হচ্ছে।
advertisement
সম্প্রতি, মিনাখাঁর রাস্তার ধারে পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার হল তৃণমূলকর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেগঙ্গার চাপাতালা গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংনয়া ১৭৮ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি ছিলেন মশিউর কাজি৷ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় তৃণমূলকর্মীদের ভিতরে উত্তেজনার পরিস্থিতি ছিল বলে জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা৷ তার মাঝেই উদ্ধার হল মশিউরের দেহ৷ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ মনে করছেন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্যই তাঁকে খুন করা হয়েছে৷ হাড়োয়ার ঝুঝুরগাছা এলাকায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মৃত বুথ সভাপতি মশিউর কাজীর পরিবারের অভিযোগ গোষ্ঠীকোন্দলে খুন হয়েছে। দেগঙ্গা ২- এর ব্লক সভাপতি লোকজন মশিউরকে খুন করেছে বলে দাবি মৃতের পরিবারের।
