এই দিন দেবাদিদেব শিবের উপাসনা করে পূণ্যলাভ এবং ভক্তের মনস্কামনা পূর্ণ হয়, এমনই বিশ্বাস মানুষের। পুরুষ মহিলা উভয়ে এই দিন কঠোর উপবাসের মধ্য দিয়ে ব্রত পালন করেন। নির্জলা উপবাস রেখে নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্য দিয়ে জল ঢালা সম্পন্ন হয়, এরপর ফল খেয়ে রাত জাগা। আর এই জল ঢালার নিয়মে দেখা দিয়েছে অভিনবত্ব। সাধারণ ঘটি ও বাঁকে জল ঢালার নিয়মে তো রয়েছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন মডেল ফুলের সাজ এবং আলোকসজ্জা দেখা যাচ্ছে বাঁকে। গত কয়েক বছরে যেমন ব্রতর প্রতি আগ্রহ বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে সাজসজ্জা।
advertisement
এদিন হাওড়া জেলার সাঁকরাইল চাঁপাতলা ঘাট থেকে প্রায় ২০ কিমি দূরত্বে সিদ্ধেশ্বর বাবার প্রাচীন ধামে হাজার হাজার মানুষ জল নিয়ে পৌঁছন পায়ে হেঁটে। সেই সব ভক্ত ও ব্রতপালনকারীদের জন্য রাস্তার দুই পাশে অসংখ্য জলছত্র হয়। রাস্তার দুই ধারে মানুষ অপেক্ষায় থাকেন সারিবদ্ধ ভক্তদের দর্শনে। বর্তমানে আরও আকর্ষণ বাড়িয়েছে বিভিন্ন মডেল। আরও বেশি মানুষকে আকৃষ্ট করছে এই সাজসজ্জা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বড়দের সঙ্গে এই শিবরাত্রি উৎসবে শামিল হয়েছে অল্প বয়সী স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিব ভক্তরা। তাদের বাঁকে মডেল তৈরির প্রবণতা বেশি। এই মডেল বাঁক বৃদ্ধির সঙ্গে কম হয়েছে ডিজে ও উচ্চস্বরে বক্স বাজানোর প্রবণতা। এবার সাঁকরাইল চাপাতলের ঘাট থেকে শিবরাত্রি উপলক্ষে মডেল বাঁক হিসেবে দেখা গেল কিউট শিব , শিবলিঙ্গ , শিব মূর্তি, মহাকাল, তারামা, প্রেমানন্দ মহারাজ, গোপাল, বড়মা সহ বিভিন্ন মডেল ও বাঁক সাজ।





