এতকিছুর মধ্যেও কৃষিকাজ ছাড়েননি তিনি। যে হাতে রং পেন্সিল নিয়ে ছবিতে প্রাণ ফুটিয়ে তোলেন, যে হাতে নিপুন নকশায় ওয়েল্ডিং ডিজাইন করেন, আবার সেই হাতে উর্বর জমিতে ফসল ফলাচ্ছেন তিনি। অতি ব্যস্ততার মধ্যে থেকেও ছেলেমেয়েদের অঙ্কন প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন তিনি। প্রশিক্ষণের বিনিময়ে ছাত্রছাত্রীরা সামর্থ্য মত যে যা দেয়, তাই নেন। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের ছেলেমেয়েরা বিনা অর্থে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তাঁর কাছে।
advertisement
আরও পড়ুন: জঙ্গলমহলে এবার ‘গজরাজের’ রাজত্ব, এক দশকে ৬ গুণ বেড়েছে হাতির সংখ্যা! আসল কারণ জানলে চমকে যাবেন
এভাবেই অঙ্কন প্রশিক্ষণ দিয়ে পরম তৃপ্তি বলে জানান অমিতবাবু। এখানেই শেষ নয়, ভাস্কর্য তৈরীর প্রশিক্ষণও দেন তিনি। নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক ছাড়াই ছবি আঁকার প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন পেশায় ওয়েল্ডিং ড্রয়িং ইঞ্জিনিয়ার অমিতবাবু। হাওড়া ডোমজুড় ব্লকের অন্তর্গত কেশবপুর গ্রামের অমিত কুমার দাস। তিনি জানান, শৈশব থেকে ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ ছিল। আরও বেশি আগ্রহ বাড়ে গ্রাম থেকে শহরে গিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ছবি দেখে প্রশংসা করেছিলেন সুরকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শৈশবের এমন বেশ কিছু ঘটনা তাঁকে বেশি করে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি ছবি অঙ্কন এবং প্রশিক্ষণ নেওয়া। তারপর স্কুল পাস করে নিজের কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যের অঙ্কনের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। শেষে সেই থেকে শুরু অঙ্কন। গ্রাম ছাড়িয়ে বিভিন্ন গ্রাম এমনকি ১২-১৫ কিলোমিটার দূর থেকেও ছাত্রছাত্রীরা অঙ্কন প্রশিক্ষণ নিতে আসে। এই শিক্ষকের মূল লক্ষ্য শিশুদের মনে সৃজনশীল ভাবনা জাগ্রত করা।





