advertisement

West Medinipur News: জঙ্গলমহলে এবার ‘গজরাজের’ রাজত্ব, এক দশকে ৬ গুণ বেড়েছে হাতির সংখ্যা! আসল কারণ জানলে চমকে যাবেন

Last Updated:
West Medinipur News: জেলায় তড়তড় করে বাড়ছে হাতির সংখ্যা। জঙ্গলমহলের আবহাওয়া ও জলবায়ু একদিকে যেমন বসবাসের জন্য উপযোগী তেমন, হাতির প্রজননের জন্য ভাল। তাই হাতির সংখ্যা বাড়ছে। হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘনঘন দেখা মিলছে দলমার দলের।
1/6
যখন তখন গ্রামে ঢুকে পড়ছে হাতির পাল। দলমার দলে থাকে বাচ্চা হাতিও। ইতিমধ্যে জঙ্গলমহলের জঙ্গলগুলিতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে হাতির সংখ্যা। আজ থেকে এক দশক আগে যে পরিমাণ হাতি ছিল, এখন তা অনেক গুণে বেড়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে এখন নিয়মিতভাবেই হাতির চলাচল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যখন তখন জঙ্গল ছেড়ে স্থানীয় লোকালয়ে হানা দিচ্ছে হাতির পাল। হাতির পরিমাণ বৃদ্ধিকে বেশ তাৎপর্যের সঙ্গেই দেখছেন বন বিশেষজ্ঞরা। (তথ্য ও ছবি: রঞ্জন চন্দ)
যখন তখন গ্রামে ঢুকে পড়ছে হাতির পাল। দলমার দলে থাকে বাচ্চা হাতিও। ইতিমধ্যে জঙ্গলমহলের জঙ্গলগুলিতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে হাতির সংখ্যা। আজ থেকে এক দশক আগে যে পরিমাণ হাতি ছিল, এখন তা অনেক গুণে বেড়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে এখন নিয়মিতভাবেই হাতির চলাচল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যখন তখন জঙ্গল ছেড়ে স্থানীয় লোকালয়ে হানা দিচ্ছে হাতির পাল। হাতির পরিমাণ বৃদ্ধিকে বেশ তাৎপর্যের সঙ্গেই দেখছেন বন বিশেষজ্ঞরা। (তথ্য ও ছবি: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
2/6
বনাঞ্চলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও বিস্তৃতি হাতির সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। বন দফতরের মতে, গত কুড়ি বছরে হাতির সংখ্যা প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পরিবেশগত উন্নতিরই ইঙ্গিত বহন করছে। জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ অরণ্য ও প্রাকৃতিক আবাসভূমি হাতিদের নিরাপদ বিচরণে সহায়তা করছে। ফলে তারা সহজেই এখানে বসবাস ও বংশবৃদ্ধি করতে পারছে। কলাইকুন্ডা, মানিকপাড়া, শালবনী, গড়বেতা সহ একাধিক জঙ্গলে নিয়মিত বাস হাতির।
বনাঞ্চলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও বিস্তৃতি হাতির সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। বন দফতরের মতে, গত কুড়ি বছরে হাতির সংখ্যা প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পরিবেশগত উন্নতিরই ইঙ্গিত বহন করছে। জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ অরণ্য ও প্রাকৃতিক আবাসভূমি হাতিদের নিরাপদ বিচরণে সহায়তা করছে। ফলে তারা সহজেই এখানে বসবাস ও বংশবৃদ্ধি করতে পারছে। কলাইকুন্ডা, মানিকপাড়া, শালবনী, গড়বেতা সহ একাধিক জঙ্গলে নিয়মিত বাস হাতির।
advertisement
3/6
খাদ্যের প্রাচুর্যও এই বৃদ্ধির একটি বড় কারণ। বনাঞ্চলে পর্যাপ্ত ঘাস, ফলমূল এবং জলাধারের উপস্থিতি হাতিদের টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সব উপাদান সহজলভ্য হওয়ায় হাতিরা দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকায় অবস্থান করছে এবং তাদের সংখ্যা বাড়ছে। হাতি বিশেষজ্ঞ সিদ্ধার্থ মিশ্র বলেন, জঙ্গলমহলের আবহাওয়া ও জলবায়ু একদিকে যেমন বসবাসের জন্য উপযোগী তেমন, হাতির প্রজননের জন্য ভাল। তাই হাতির সংখ্যা বাড়ছে।
খাদ্যের প্রাচুর্যও এই বৃদ্ধির একটি বড় কারণ। বনাঞ্চলে পর্যাপ্ত ঘাস, ফলমূল এবং জলাধারের উপস্থিতি হাতিদের টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সব উপাদান সহজলভ্য হওয়ায় হাতিরা দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকায় অবস্থান করছে এবং তাদের সংখ্যা বাড়ছে। হাতি বিশেষজ্ঞ সিদ্ধার্থ মিশ্র বলেন, জঙ্গলমহলের আবহাওয়া ও জলবায়ু একদিকে যেমন বসবাসের জন্য উপযোগী তেমন, হাতির প্রজননের জন্য ভাল। তাই হাতির সংখ্যা বাড়ছে।
advertisement
4/6
বন দফতরের কড়া নজরদারি ও শিকার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়াও এই বৃদ্ধির পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বেড়েছে, ফলে বন্যপ্রাণীর উপর নির্ভরশীলতা ও ক্ষতিকর কার্যকলাপ কিছুটা কমেছে। এর ফলে হাতিরা আরও নিরাপদ পরিবেশ পাচ্ছে। বেশ কিছু সময় লোকালয়ে এলেও জঙ্গলমহলের পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করছে দলমার দল।
বন দফতরের কড়া নজরদারি ও শিকার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়াও এই বৃদ্ধির পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বেড়েছে, ফলে বন্যপ্রাণীর উপর নির্ভরশীলতা ও ক্ষতিকর কার্যকলাপ কিছুটা কমেছে। এর ফলে হাতিরা আরও নিরাপদ পরিবেশ পাচ্ছে। বেশ কিছু সময় লোকালয়ে এলেও জঙ্গলমহলের পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করছে দলমার দল।
advertisement
5/6
তবে হাতির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের সঙ্গে সংঘাতের সম্ভাবনাও বাড়ছে। অনেক সময় খাবারের সন্ধানে হাতিরা গ্রামে ঢুকে পড়ছে, ফলে ফসলের ক্ষতি ও মানুষের আতঙ্ক বাড়ছে। তাই সহাবস্থানের বিষয়টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বন বিভাগ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে গোটা বিষয়কে।
তবে হাতির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের সঙ্গে সংঘাতের সম্ভাবনাও বাড়ছে। অনেক সময় খাবারের সন্ধানে হাতিরা গ্রামে ঢুকে পড়ছে, ফলে ফসলের ক্ষতি ও মানুষের আতঙ্ক বাড়ছে। তাই সহাবস্থানের বিষয়টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বন বিভাগ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে গোটা বিষয়কে।
advertisement
6/6
বন বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। জঙ্গলমহলের এই সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণ পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি একদিকে যেমন ইতিবাচক ইঙ্গিত, তেমনি তা সঠিকভাবে পরিচালনা করাও এখন সময়ের দাবি। (তথ্য ও ছবি: রঞ্জন চন্দ)
বন বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। জঙ্গলমহলের এই সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণ পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি একদিকে যেমন ইতিবাচক ইঙ্গিত, তেমনি তা সঠিকভাবে পরিচালনা করাও এখন সময়ের দাবি। (তথ্য ও ছবি: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
advertisement
advertisement